

Computer image of a coronavirus
সম্পাদকীয়:
করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে দেশের সব মানুষকে পর্যায়ক্রমে টিকার আওতায় আনার যে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী, তা অভিনন্দনযোগ্য। উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় দেশবাসীকে টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে গত বছরের নভেম্বরে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩ কোটি ডোজ টিকা কিনতে চুক্তি হয়েছিল। তবে প্রতিষ্ঠানটি চুক্তি অনুযায়ী যথাসময়ে তা দিতে না পারায় বিকল্প হিসাবে বুধবার রাশিয়ার গামালিয়া ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত স্পুটনিক-ভি এবং বৃহস্পতিবার চীনের সিনোফার্মের বিবিআইবিপি-সিওআরভি জরুরি ব্যবহারে জন্য অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বলা প্রয়োজন, এ মুহূর্তে করোনামুক্ত বিশ্ব পেতে চাইলে প্রয়োজন অন্যূন ৭ বিলিয়ন কার্যকর ভ্যাকসিন। অথচ বিশ্বব্যাপী ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাত্র দেড় বিলিয়ন ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। যদিও এ ক্ষমতা দ্বিগুণ করে ইতোমধ্যে ৩ বিলিয়ন করা হয়েছে; তবে বলার অপেক্ষা রাখে না, প্রয়োজনের তুলনায় এটি একেবারেই অপ্রতুল। বাংলাদেশ ভ্যাকসিনের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির ওপর নির্ভরশীল। এক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মাত্র ৩ শতাংশ ভ্যাকসিনের নিশ্চয়তা দিয়েছে। দেশবাসীর চাহিদা অনুযায়ী বাদবাকি ভ্যাকসিনপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকারের উদ্যোগ ও অন্তরিকতা নিঃসন্দেহে প্রসংশনীয়।