লিভারপুলে গাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজনের নাম প্রকাশ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual6 Ad Code
Manual8 Ad Code

গতকাল সোমবার পুলিশ জানায়, নিহত যাত্রীই এ ঘটনার মূল সন্দেহভাজন। তাঁর নাম ইমাদ আল সুইলমিন। গাড়িতে ওঠার পর পেছন দিকে হাতে তৈরি একটি বিস্ফোরক যন্ত্র স্থাপন করেছিলেন তিনি। স্থানীয় সময় রোববার বেলা ১১টার কিছু সময় আগে এটি বিস্ফোরিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ৩২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন ব্যক্তি অভিবাসনপ্রত্যাশী। ২০১৭ সালে তিনি খ্রিষ্টধর্মে ধর্মান্তরিত হন।

গতকাল সন্ধ্যায় সহকারী প্রধান কনস্টেবল ও উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলের সন্ত্রাস দমন পুলিশের প্রধান রাস জ্যাকসন জানান, ইমাদের ব্যাপারে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। সেফটন পার্ক এলাকার কাছে রুটল্যান্ড অ্যাভিনিউতে থাকতেন ইমাদ। এ ঠিকানা থেকেই তিনি গাড়িটিতে উঠেছিলেন এবং হাসপাতালের দিকে রওনা করেছিলেন। এ এলাকাকেই তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে বলে জানান রাস।

Manual3 Ad Code

বিস্ফোরণের পরপরই রোববার লিভারপুলের কেনসিংটন এলাকা থেকে ২১, ২৬ ও ২৯ বছর বয়সী ৩ তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গতকাল ২০ বছর বয়সী আরেক তরুণকে আটক করা হয়। তাঁদের সবাইকেই সন্ত্রাস দমন আইনের আওতায় আটক করা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই চার ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

Manual1 Ad Code

এলিজাবেথ ও ম্যালকম হিচকট নামের স্থানীয় এক দম্পতি এক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আল সুইলমিন খ্রিষ্টধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তাঁদের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকতেন। হিচকট জানান, সুইলমিন মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা এক অভিবাসনপ্রত্যাশী। লিভারপুলের ক্যাথেড্রালে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ইসলাম থেকে খ্রিষ্টধর্মে ধর্মান্তরিত হন তিনি। রোববার যেখানে বিস্ফোরণ হয়, তার থেকে অল্প দূরেই ওই ক্যাথেড্রালের অবস্থান। হিচকট আরও জানান, রোববারের ঘটনার কয়েক বছর আগে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত আইনের আওতায় আল সুইলমিনকে ছয় মাস হাসপাতালে আটক রাখা হয়েছিল। ছুরি নিয়ে অস্বাভাবিক আচরণের কারণে তাঁকে হাসপাতালে রাখা হয়েছিল তখন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code