‘বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন মাত্রায়’

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual3 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে আখাউড়া-আগরতলা রেল রুট পুনরায় চালু করা হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের যোগাযোগ বাড়াতে হবে।আখাউড়া-আগরতলা রেল রুটের সবকিছুই (প্রয়োজনীয় স্থাপনা) সেখানে রয়েছে।এখন শুধুমাত্র তা পুনরায় চালু করতে হবে।’

প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সংযোগ বাড়ানো হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগের উন্নতি হবে বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

Manual6 Ad Code

মঙ্গলবার ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী গণভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

Manual1 Ad Code

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যেকার সম্পর্ক নতুন মাত্রা লাভ করেছে।তিনি বলেন, দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা, বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।

দোরাইস্বামী প্রধানমন্ত্রীকে জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিজয় দিবস উদযাপনে ভারতের রাষ্ট্রপতি যোগদান করতে বাংলাদেশ সফর করবেন।

দোরাইস্বামী বলেন, এটি একটি বিশেষ বছর এবং বছরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।কারণ ভারতের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী একই বছরে বাংলাদেশ সফর করেছেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের কাছে অত্যন্ত প্রিয় দেশ।

Manual1 Ad Code

হাইকমিশনার বলেন, তারা পারস্পারিক সংযোগের একটি সুন্দর কাঠামো প্রদর্শনের জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক তুলে ধরবেন।তিনি বলেন, বর্তমানে দু’দেশের কর্মকর্তারা ভারতীয় প্রেসিডেন্টের সফর চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন।

Manual2 Ad Code

কোভিড-১৯ এর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশকেই মারাত্মক ভাইরাস মোকাবিলায় সতর্ক থাকতে হবে।

ভারতীয় হাইকমিশনার তাদের কোভিড ১৯ মোকাবিলার খারাপ সময়ে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করে সাহায্য করার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর একটি অত্যন্ত দুর্লভ আলোকচিত্র হস্তান্তর করেন।

আলোকচিত্রটিতে ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে একজন নিরাপত্তা সদস্যকে তার সঙ্গে দুপুরের খাবারের জন্য তার বাড়িতে নিতে দেখা যায়। পাশাপাশি ভারতীয় হাইকমিশনার কিছু সংবাদপত্রের ক্লিপিংস এবং অডিও ও ভিডিও সংবলিত একটি পেনড্রাইভও হস্তান্তর করেন।

প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীর হাতে বন্দিদশায় তার ভয়াবহ দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন।তিনি বলেন, কিন্তু ভারত যখন বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তখন তা তাদের জন্য মহান বার্তা ছিল।

অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মো. জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার বিনয় জর্জ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code