স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীঃ ‘ফাইভ:ফিফটি’তে মুক্তা চক্রবর্তীর চিত্রপ্রদর্শনী

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual2 Ad Code

লন্ডন ডেস্কঃ 

Manual5 Ad Code

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর এবং পঞ্চাশতম মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে নয় ডিসেম্বর থেকে ৫ জন নারী শিল্পীর শিল্পকর্ম নিয়ে সপ্তাহব্যাপী এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল।

Manual3 Ad Code

মাইল এন্ড পার্কের দ্য আর্ট প্যাভিলিয়ন গ্যালারিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘ফাইভঃফিফটি’ শিরোনামে আয়োজিত এই প্রদশনীতে স্থান পেয়েছে ব্রিটিশ বাংলাদেশি চিত্র শিল্পী মুক্তা চক্রবর্তী’র আঁকা নয়টি চিত্র কর্ম।বাংলাদেশের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে শিল্পীর আঁকা প্রায় প্রতিটি চিত্রকর্মে উঠে এসেছে আবহমান বাংলার বসন্ত উৎসব, ভাটিয়ালি, বেহুলা, নৌকাবাইচ, ধামাইল, দীপাবলি সহ বঙ্গীয় নারী শক্তি আর ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সাম্প্রদায়িকতা আর বিভাজনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

Manual2 Ad Code

দর্শকদের জন্য প্রদর্শনী প্রতিদিন খোলা থাকবে সকাল এগারোটা থেকে বিকাল ছয়টা পর্যন্ত। প্রদর্শনীটি সমাপ্ত হবে ষোলোই ডিসেম্বর।
বিলেতে জন্ম এবং বেড়ে উঠা নতুন প্রজন্মের মধ্যে  বাংলাদেশের শিল্প আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনের লক্ষে প্রদর্শনী স্থলে ১২ ডিসেম্বর দুপুর দুইটা থেকে চারটা পর্যন্ত আর্ট ওয়ার্কসপ আয়োজন করছে সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তা আর্টস। বিডি ফিফটি শিরোনামে শিশুদের এই চিত্রাঙ্কন কর্মশালা পরিচালনা করবেন শিল্পী মুক্তা চক্রবর্তী।

প্রদর্শনীর বিষয়বস্তু এবং শিল্পভাবনা সম্পর্কে মন্তব্যকালে মুক্তা চক্রবর্তী বলেন, আমাদের মহান মুক্তি সংগ্রামের অন্যতম লক্ষ্য ছিলো সাংস্কৃতিক মুক্তি। কিন্তু আমাদের নিজেদের গৌরবময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণ, চর্চা এবং উপস্থাপনের যতটা প্রয়োজন ছিলো ততটা হয়নি। অথচ একমাত্র নিজস্ব সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য চর্চার মাধ্যমেই নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া আত্মপরিচয় সংকট দূর করা সম্ভব। সেই সাথে রয়েছে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের সুযোগ। সেই ভাবনা থেকেই আমাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে রংতুলির মাধ্যমে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code