

নিউজ ডেস্কঃ
সিলেট নগরীর বন্দরবাজারে পু’লিশ হেফাজতে রায়হান আ’হত নি’হত হওয়ার পর থেকেই আসামী আব্দুল্লাহ আল নোমান পলাতক রয়েছে। বর্তমানে নোমান প্যারিসে রয়েছে বলেও জানা যায়।
ইন্টারপোলের মাধ্যমে রায়হান হ’ত্যা মা’মলার পলাতক আসামী নোমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কা’মাল ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের হস্তক্ষেপ কা’মনা করেছেন রায়হানের মা সালমা বেগম।
পাশাপাশি রায়হানের মে’য়ে আলফার জন্যও সিলেটবাসীর কাছে দোয়া কা’মনা করেছেন।
২২ ডিসেম্বর, বুধবার রায়হান হ’ত্যা মা’মলার শুনানিতে আ’দালতে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে এই অনুরোধ জানান তিনি। সালমা বেগম বলেন, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে রায়হান হ’ত্যার বিচারের দাবি জানাচ্ছি। বিচারের মাধ্যমে ৬ আসামীর ফাঁ’সি চান সালমা বেগম।
উল্লেখ্য: গত বছরের ১১ অক্টোবর ভোররাতে নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার যুবক রায়হান আহম’দকে বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁড়িতে ধরে এনে নি’র্যা’তন করা হয়। এরপর ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে নেওয়ার পর তার মৃ’ত্যু হয়।
এ ঘটনায় নি’হতের স্ত্রী’ বাদী হয়ে ১২ অক্টোবর কোতোয়ালি থা’নায় হ’ত্যা মা’মলা করেন। পু’লিশের হেফাজতে নি’র্যা’তনে রায়হানের মৃ’ত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
অ’ভিযু’ক্ত পু’লিশ সদস্যদের গ্রে’প্তারের দাবিতে চলে নানা কর্মসূচি। হ’ত্যাকা’ণ্ডের পর চলতি বছরের ৫ মে আ’লোচিত মা’মলা’টির অ’ভিযোগপত্র আ’দালতে দাখিল করে পু’লিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
অ’ভিযোগপত্রে বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ এসআই (সাময়িক বরখাস্ত) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে প্রধান অ’ভিযু’ক্ত করা হয়।
অন্য অ’ভিযু’ক্তরা হলেন এএসআই আশেক এলাহি, কনস্টেবল মো. হারুণ অর রশিদ, টিটু চন্দ্র দাস, ফাঁড়ির টুআইসি এসআই (সাময়িক বরখাস্ত) মো. হাসান উদ্দিন এবং স্থানীয় সংবাদকর্মী আবদুল্লাহ আল নোমান। তাদের মধ্যে নোমান পলাতক। বাকিরা কারাগারে আছেন।