

লন্ডন ডেস্কঃ
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী, শিমুলতলা গ্রামের বাসিন্দা সূদীর্ঘ দিন ধরে বৃটেনের নর্থামপটন শহরের বসবাস করছেন। এদেশের সুপরিচিত একজন মানুষ। এদেশে আসার পর পরই ক্যাটারিং ব্যবসায় জড়িত হন এবং দীর্ঘদিন এ ব্যবসার সাথে জড়িত থেকে সমাজ সেবামূলক কাজেও নিজেকে জড়িয়ে নর্থামপটন বাংলাদেশী কমিউনিটির সর্বাঙ্গীন উন্নয়ন মূলক কাজে নিয়োজিত রেখে কাজ করতে থাকেন।
দেশে লেখাপড়ায় একজন ভাল ছাত্র ছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র ছিলেন। ছাত্ররাজনীতির সাথে নিজেকে গড়ে তুলে নিষ্টা, সততা ও যোগ্য ছাত্র হিসাবে এলাকায় সুনাম অর্জনে সক্ষম হয়ে জীবন জীবিকার তাগিদে প্রবাসে এসেও নিজ কমিউনিটির মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেই জনহিতকর কাজে
নিয়োজিত রয়েছেন। এদেশে আসার পর কিছুদিন লন্ডনে বসবাস করে মপরবর্তীতে নর্থামপটন শহরে স্থায়ী বসবাস শূরু করেন। বিগত ৩৩ বছর ধরে নিজ কমিউনিটির সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন সহ বাংলা ভাষা সংস্কৃতি শিক্ষাদানের জন্য বিভিন্ন চ্যারিটি সংগঠনে জড়িয়ে প্রবাসে ও দেশের মাটি মানুষের কাছাকাছি থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। জনসেবা করে যাওয়া একটি আনন্দের বিষয় বলে নিজেকে বিলীন করে দেওয়ার প্রেক্ষীতে বাংলাদেশী কমিউনিটি ইউনিভার্সিটি হলে অনুষ্টিতব্য এয়ার্ড সিরিমনিতে অবদানের জন্য এয়ার্ড দিয়ে সম্মাননা জানান।
বিগত ১৪ ই সনে বার্মিংহাম Piccadilly hallএ ইন্টারনেশনাল টেলি এয়ার্ড প্রদান করা হয়।
গত ৯ ই ডিসেম্বর নর্থামপটন ইউনিভার্সিটি (মার্সিসাইড) BCA (East Midland )রিজিওন বাংলাদেশের ৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে কমিউনিটিতে অবদানের জন্য সম্মাননা উপহার দেওয়া হয়।
প্রবাসে ও দেশে বিভিন্ন স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সংস্কার সহ বিভিন্ন ট্রাষ্টে একজন নিবেদিত কর্মী হিসাবে নিজকে জড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
ভাষা সংস্কৃতি ইতিহাস শিক্ষাদানের লক্ষ্যে আপন শহরে বাংলা স্কুলের অর্গেনাইজার শিক্ষক হিসাবে এখনো দায়িত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি নর্থামপটন সেন জেমস লোয়ার
স্কুল ও স্পেনসার মিডিল স্কুলের গভর্নিংবডির একজন সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি।আমি পরবর্তীকালে বাকী জীবন দেশে ও প্রবাসে জনহিতকর কাজসহ গরীব দুঃখী এতিমদের পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে চাই। আমার স্বধর্মীণী ও আমার ছেলে মেয়ে সহ সকল শূভাকাঙ্কী পাশে থাকলে এসব সেবামূলক কাজ চালিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
যারা আমাকে এয়ার্ড দিয়ে উৎসাহ ও সাহস দিলেন সকলের কাছে আমি ঋণী।