

আনসার আহমেদ উল্লাহ :
লন্ডনে আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর মেয়ের মৃত্যুতে হাই কমিশনারের শোক বার্তা । ৫২’র মহান ভাষা আন্দোলনের অমর সঙ্গীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী’ -এর রচয়িতা, একুশের জীবন্ত কিংবদন্তী, যুক্তরাজ্যে বাংলা ভাষা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাতিঘর, বিশিষ্ট লেখক, কলামিস্ট ও সাংবাদিক জনাব আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর তৃতীয়া কন্যা মিজ্ বিনীতা চৌধুরীর অকাল মৃত্যুতে বিলাতে হাই হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম এক শোক বার্তায় বলেছেন তিনি গভীরভাবে মর্মাহত শোকাবিভূত।
তিনি এক শোক বার্তায় বলেন, ‘পিতা জনাব গাফফার চৌধুরীর পরম স্নেহের এবং সর্বক্ষণের ছায়াসঙ্গী সুপ্রিয় কন্যা বিনীতা চৌধুরীর এই অকাল মৃত্যুতে আমি বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং শ্রদ্ধেয় আব্দুল গাফফার চৌধুরীসহ মরহুমার শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবৃন্দের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।‘
তিনি আরো বলেন, ‘মিজ্ বিনীতা চৌধুরী তাঁর নামের মতোই ছিলেন একজন অত্যন্ত বিনয়ী, মিষ্টভাষী এবং বন্ধুবৎসল নারী, যিনি তাঁর শিক্ষকতা পেশার পাশাপাশি বয়োবৃদ্ধ পিতার সার্বক্ষণিক দেখভাল ও সেবাযত্নে নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। জনাব আব্দুল গাফফার চৌধুরীর সাথে আমার ও হাই কমিশনের সকল যোগাযোগের মাধ্যম ছিলেন তাঁর কন্যা বিনীতা চৌধুরী। তাঁর এ অকালমৃত্যু তাঁর পিতা ও ভাই-বোনসহ পরিবারের সকলের এবং যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশীদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি মরহুমা বিনীতা চৌধুরীর প্রতি আমার অন্তিম শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। আমীন।‘
এখানে উল্লেখ করা উচিত যে বিনীতা চৌধুরী বুধবার ১৩ এপ্রিল বিকাল ৪ টায় লন্ডনের ইউসিএল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। কয়েক মাস ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন বিনিতা চৌধুরী। তিনি একজন সিনিয়র ফিনান্সিয়াল কনসালটেন্ট হিসাবে কাজ করতেন ।