ইসলামের পথেই রয়েছে শান্তি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual8 Ad Code

ধর্ম: হারামের চত্বরে কাবামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে বাদশাহ খালেদ তার উদ্বোধনী ভাষণে ঘোষণা করেন, ‘‘পূর্ব নয়, পশ্চিম নয়, আমাদের আনুগত্য খালেসভাবে ইসলামের প্রতিই।” ইহরাম বাঁধা অবস্থায় পবিত্র মসজিদুল হারামের চত্বরে কাবামুখী হয়ে বসা ৩৭টি মুসলিম দেশের স্বাক্ষরিত এই ঘোষণাকে বলা হয় ‘মক্কা ঘোষণা’। মুসলিম উম্মাহর জন্য এটা একটা ঐতিহাসিক দলিল। কাবাকে সামনে রেখে কাবার মালিক আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে সাক্ষী রেখে মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানগণ যে শপথ ও স্বীকৃতির কথা ঘোষণা করেছেন তা থেকে মুসলিম দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তির স্পষ্ট নির্দেশনা ফুটে ওঠে। সে ঘোষণার মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বের কোটি কোটি জনতা উদ্দীপ্ত হয়েছিল। মুসলমানদের বিশ্বাস, মূল্যবোধ, চিন্তা-চেতনা, আবেগ ও অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ছিল সম্মেলনের এ ঘোষণায়।

যে কাবাকে কেন্দ্র করে দুনিয়ায় এক সভ্যতার গোড়া পত্তন হয়েছিল, মক্কা বিজয়ের সময়ে বিশ্বনবী (সা) যে কাবা থেকে মূর্তি ও প্রতিমা উৎখাত করে সত্যের বিজয় ঘোষণা করেছিলেন, যে কাবার সাথে হযরত ইব্রাহিম ও ইসমাইল (আ)-এর স্মৃতিসম্পৃক্ত সে কাবা চত্বর থেকে মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানদের ঘোষণা সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে নবতর চেতনায় উজ্জীবিত করেছিল। মুসলমানরা তাদের রাজনৈতিক গগন থেকে ঘোর অমানিশা দূর করে এক নতুন পৃথিবী গড়ার শক্তিতে উদ্ভাসিত হয়েছিল। সেই মক্কা ঘোষণার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করলেই তার অন্তর্নিহিত শক্তি উপলব্ধি করা যাবে।

মক্কা ঘোষণার ভূমিকায় রাষ্ট্রপ্রধানগণ বলেন, ‘‘আমরা অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্সের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানগণ ১৪০১ হিজরির ১৯-২২ রবিউল আউয়াল, মোতাবেক ১৯৮১ সালের ২৫-২৮ জানুয়ারি পবিত্র মক্কা মোকাররমায় তৃতীয় ইসলামী সম্মেলনে মিলিত হয়েছি।

 

সর্বশক্তিমান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে আমাদের লাখো সিজদাহ্। তিনি তাঁর অপার করুণায় আমাদেরকে বিশ্ব মুসলিমের কিবলায়, ওহির নাজিলগাহ পবিত্র কা’বার সান্নিধ্যে এই পবিত্র নগরীতে নতুন এক হিজরির সুবে সাদিকে সমবেত হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। আমরা এই সুযোগকে মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে এক অতিগুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং সার্বিক ইসলামী পুনর্জাগরণের এক শুভারম্ভ বলে মনে করছি। মানবসভ্যতা এবং বিশ্বসমাজে পুনরায় সেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী আসন লাভ, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠার প্রয়াস এবং ইসলামের সংহতি শিক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে অতীতের স্মৃতিচারণ, বর্তমানের মূল্যায়ন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রচনার জন্য আস্থার সাথে সামনে এগোবার ক্ষেত্রে এক অমূল্য সুযোগ এটা।”

এ ভূমিকার পর রাষ্ট্রপ্রধানগণ যে বিশ্বাসের ঘোষণ দেন তা নিম্নরূপ :

 

Manual5 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code