ছয় স্তরের পদ সোপান চান শিক্ষা ক্যাডাররা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual3 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: প্রশাসনিক ভারসাম্য রক্ষা এবং শৃঙ্খলার স্বার্থে শিক্ষা ক্যাডার পদ সোপান তৈরি গত দুই বছরে শেষ হয়নি। সম্প্রতি ৯৫টি অধ্যক্ষের পদ তৃতীয় গ্রেড করার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি। কিন্তু দ্বিতীয় গ্রেড না থাকায় প্রথম গ্রেডে সরাসরি পৌঁছানোর পথ রুদ্ধই থেকে গেলো। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষা ক্যাডাররা বলছেন, বৈষম্য, অসুস্থ প্রতিযোগিতা ও পদোন্নতি সমস্যা মেটাতে ছয় স্তরের পদ সোপান প্রয়োজন। চতুর্থ গ্রেডে চাকরি জীবন শেষ করতে হবে শিক্ষকদের—এই অবস্থার অবসান হওয়া দরকার।
বর্তমানে শিক্ষা ক্যাডারের পদ সোপান প্রভাষক থেকে অধ্যাপক পর্যন্ত চার স্তরের। অধ্যাপকরা চতুর্থ গ্রেড পেয়ে চাকরি জীবন শেষ করেন। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালকের পদটি প্রথম গ্রেড। চতুর্থ গ্রেডের অধ্যাপককে এই গ্রেডে নিয়োগ করা হয়। মহাপরিচালক পদটি ছাড়া প্রথম গ্রেডের আর কোনও পদ নেই শিক্ষা ক্যাডারদের জন্য। এর আগে সরাসরি দ্বিতীয় গ্রেডে পদোন্নতি দেওয়া হতো সিলেকশন গ্রেডের মাধ্যমে। ২০১৫ সালে জাতীয় বেতন কাঠামোতে সিলেকশন গ্রেড না থাকায় এখন সে সুযোগও নেই। চতুর্থ গ্রেডেই আটকে যান শিক্ষা ক্যাডাররা। তাই পদ সোপান তৈরির জন্য ২০১৯ সালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।
এই প্রস্তাবের দুই বছর পর গত ১৯ জুন তৃতীয় গ্রেডের ৯৫টি পদ প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দেশের ৯৫টি কলেজের অধ্যক্ষের পদ তৃতীয় গ্রেডে উন্নীত করা হয়। কিন্তু দ্বিতীয় গ্রেড নেই। শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা বলছেন— সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তদবির না করলে এ সমস্যার সমাধান হবে না। সুনির্দিষ্ট করে পদ সোপান তৈরি না করলে বিশৃঙ্খলা বাড়বে শিক্ষা ক্যাডারে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code