

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ছয় মাস ধরে বড় ধরনের স্থল যুদ্ধ ইউরোপে ভয়াবহতা দেখিয়ে চলেছে। পশ্চিম সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েকশ’ মাইল দূরে মৃত্যু আর ধ্বংসের নিদারুণ যন্ত্রণার সাক্ষী ইউক্রেনের বিস্তৃত অঞ্চলের মানুষ। এই যুদ্ধ যেন সহিংসতা আর স্বাভাবিকতার সহাবস্থানকেই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে! পরিখা আর গোলাবারুদের এই দ্বৈত যুদ্ধের বড় অংশ সংজ্ঞায়িত হচ্ছে আমেরিকান ও ইউরোপীয়দের রাজনৈতিক ইচ্ছায়। তাদের মুদ্রাস্ফীতি এবং জ্বালানি ঘাটতি সহ্য করার মানসিকতাই আদতে ঠিক করে দেবে এই সংঘাতের পরবর্তী ধাপ কোথায় গিয়ে ঠেকবে! আসন্ন শীতে রুশ তেল ও গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির মুখে ইউরোপ কী ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে? ক্রিমিয়ায় হামলার পর পুতিন কী যুদ্ধের তীব্রতা বাড়াবেন? আর জেলেনস্কি কী পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে অঙ্গীকার ধরে রাখতে সক্ষম হবেন? পুতিন এই মুহূর্তে ইউক্রেনের ২০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছেন। পুরো ইউক্রেনকে ফের রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া স্পষ্টতই খুব সহজ হবে না। তবে এই সংঘাতের লাগাম টেনে ধরার ব্যাপারেও তিনি খুব একটা আগ্রহী বলেও মনে করার কোনও কারণ নেই।