

ডেস্ক নিউজ: পরিবর্তনজনিত কারণে হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ছে।আবার অনেকে বংশানুক্রমে এই রোগে আক্রান্ত হন। কিছু খাবার আছে হৃদরোগীদের জন্য উপকারী।আবার কিছু খাবার আছে যা পরিহার করতে হবে।
অধিক তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার, অধিক কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার যাতে ক্যালরি বেশি থাকে যা ওজন বাড়ায় তা বর্জন করতে হবে।
কী কী খাবার বেশি খেতে হবে
যেসব খাবার কম ক্যালরিযুক্ত যেমন তাজা ও রঙিন শাকসবজি, ফলমূল, সালাদ, বিভিন্ন ধরনের মাছ বিশেষত সামুদ্রিক মাছ ও মাছের তেল, প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাবার, উদ্ভিদজাত ননট্রপিক্যাল তেল বেশি বেশি খেতে হবে। গরু, খাশি বা মহিষের গোশত একদম নিষেধ নয়, তবে বেশি পরিমাণ খাওয়া যাবে না, মাঝে মাঝে অল্প পরিমাণ খাওয়া যাবে।
যারা গরু, খাশি বা মহিষের গোশত একদম খান না, তাদের কি হার্টের করোনারি রক্তনালিতে ব্লক হয় না হ্যাঁ, যারা গরু, খাশি বা মহিষের একদম গোশত খান না, তাদেরও হার্টের করোনারি রক্তনালিতে ব্লক হতে পারে বা হয়।
গরু, ছাগল বা মহিষ তো ঘাস বা লতাপাতা খায়, কখনোই তৈলাক্ত খাবার খায় না কিন্তু মাংসে বা পেটের ভেতরে এত চর্বি কীভাবে হয়? তা হলে কি তৈলাক্ত বা চর্বি জাতীয় খাবার একদম না খেলেও কি রক্তে শরীরে চর্বি হতে পারে?
হ্যাঁ, গরু, ছাগল বা মহিষ ঘাস বা লতাপাতা খায়, কখনোই তৈলাক্ত খাবার খায় না, কিন্তু মাংসে বা পেটের ভেতরে এত চর্বি হয় তার মানে ঘাস বা লতাপাতা প্রয়োজনের বেশি খেলে তা চর্বিতে রূপান্তরিত হতে পারে, তেমনি কোনো ব্যক্তি যদি চর্বি বা তৈলাক্ত খাবার নাও খায় কিন্তু শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খেলে তা চর্বি আকারে আমাদের তলপেটে বা নিতম্বে বা খাবারের নালির বা অন্ত্রের পাশে পেটের ভেতরে জমা হতে থাকে ও ওজন বাড়তে থাকে।
তাই অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার পরিহার করার পাশাপাশি অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন ভাত, রুটি, আলু, চিনি, মিষ্টি, কোমল পানীয় পরিহার করতে হবে।