

ডেস্ক রিপোর্ট: অতিমারির প্রভাবে ২০২১ সালে এভিয়েশন শিল্পে মন্দা অব্যাহত থাকায় বিভিন্ন দেশের এয়ারলাইনকে প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। বিশ্বে কোভিড-১৯ প্রথম শনাক্ত হওয়ার দুই বছর পরও ফ্লাইট ও যাত্রী সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক কম।
আকাশপথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতেই থাকে করোনাভাইরাস। এ কারণে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ ২০ এয়ারলাইনের তালিকায় কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। প্রতিবছরের মতো এটি প্রকাশ করেছে এয়ারলাইন নিরাপত্তা ও বিমান পণ্য পর্যালোচনা ওয়েবসাইট এয়ারলাইন রেটিংস ডটকম। সারাবিশ্বের ৩৮৫টি বিমান সংস্থার বিভিন্ন দিক পরিমাপ করেছে অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি। এর মধ্যে রয়েছে বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা, গুরুতর দুর্ঘটনা, উড়োযানের বয়স, কোভিড-১৯ প্রটোকল ও পরিচালনা কার্যক্রমে নতুনত্ব।
এবারের তালিকায় শীর্ষে আছে এয়ার নিউজিল্যান্ড। ককপিটে নতুনত্ব আনা, পাইলটদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং খুব অল্প বয়সী উড়োযান বহরে রাখার সুবাদে এক নম্বর জায়গাটি দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া তাদের ফ্লাইট পরিচালনা করতে গিয়ে তেমন গুরুতর কোনও ঘটনার জন্ম দেয়নি নিউজিল্যান্ডের পতাকাবাহী এই সংস্থা।
এয়ারলাইন রেটিংস ডটকমের এডিটর-ইন-চিফ জিওফ্রে থমাসের ব্যাখ্যায়, ‘গত দুই বছর করোনার কারণে আকাশপথে যাত্রী কমে যাওয়ায় বিমান সংস্থাগুলোর জন্য ছিল প্রতিকূল। যাত্রীসেবা প্রদানে আবারও ফেরার আগে পাইলটদের ব্যাপকভাবে পুনরায় প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের পরিসর বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন এয়ারলাইন রেটিং সম্পাদকেরা। এয়ার নিউজিল্যান্ড এক্ষেত্রে সবার চেয়ে অগ্রগামী। গত চার দশকে পরিচালনা কার্যক্রমে নিরাপত্তার অগ্রগতিতে নেতৃত্ব দেওয়ার সুবাদে প্রশংসা কুড়িয়েছে এয়ার নিউজিল্যান্ড।
বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে ফ্লাইটের টার্ন টাইম (অবতরণের পর আবারও উড্ডয়নের জন্য তৈরি) উন্নীত করতে সম্প্রতি এই সংস্থা যুক্ত করেছে অ্যাসাইয়া অ্যাপ্রন এআই প্রযুক্তি। বিশ্বে এটি প্রথম ব্যবহার করা বিমান সংস্থার মধ্যে এয়ার নিউজিল্যান্ড অন্যতম।