

ভারতীয়-হিন্দু-উত্তরাধিকার-আইন
ডেস্ক রিপোর্ট: উত্তরাধিকার আইন ধর্ম ও লিঙ্গের ভিত্তিতে নয় বরং সমঅধিকারের আলোকে সংশোধন করতে হবে। পারিবারিকভাবে কেনা সম্পত্তিতে সমানভাবে দলিলে উল্লেখ করতে হবে নারীর নাম। ভূমিহীন নারীকে শর্তহীনভাবে খাসজমি বন্দোবস্ত দিতে হবে। বাতিল করতে হবে নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্যমূলক আইন, নীতি ও বিধিমালা।
আজ রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে নারীর ভূমি ও সম্পত্তিতে অধিকারের বাস্তবতা : রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও করণীয়’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে বক্তরা এসব কথা বলেন।
এএলআরডি-এর চেয়ারপারসন খুশি কবীরের সভাপতিত্বে ও সঞ্চলনায় সেমিনারে দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। প্রথমটি উপস্থাপন করেন মানবাধিকার আইনজীবী ড. ফস্টিনা পেরেরা এবং দ্বিতীয় প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন এএলআরডির উপনির্বাহী পরিচালক রওশন জাহান মনি।
প্যানেল আলোচক ছিলেন দৈনিক প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক ও কবি সোহরাব হাসান, ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস ও ডাইভারসিটির পরিচালক নবনীতা চৌধুরী, রিসার্স ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিচালক ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য লাকি আক্তার এবং এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা।
সোহরাব হাসান বলেন, নারীর উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠায় এ সমাজ চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। সরকারগুলো নারী অধিকারের পক্ষে শক্তভাবে দাঁড়াতে পারছে না। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সরকার লক্ষাধিক ঘর দিয়েছে গৃহহীনদের। বিশাল এ তালিকায় দশ হাজার ভূমিহীন নারীও নেই।