প্রকাশ্যে বর্বরতার আরও চিত্র

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual4 Ad Code

ভারত প্রতিনিধি: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্যে দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলা জাতিগত সংঘাতে প্রায় দেড়শ মানুষের প্রাণহানি আর অসংখ্য ঘরবাড়ি, ধর্মীয় স্থাপনা পুড়িয়ে ধ্বংস করে এখন কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে সহিংসতা চলাকালে ঘটে যাওয়া যৌন নিগ্রহ ও হত্যার ঘটনা এখন সামনে আসায় আবারও আলোচনায় রাজ্যটি।

Manual5 Ad Code

প্রায় ৩০ লাখ মানুষের বসবাস মণিপুরে। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেই সম্প্রদায় এবং সংখ্যালঘু কুকি উপজাতির জাতিগত দ্বন্দ্ব বেশ পুরোনো। এখানে এ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে এর আগেও বেশ কয়েকবার সহিংসতা হয়েছে। তবে এসব সহিংসতার ক্ষেত্রে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সংখ্যালঘু কুকি নারীদের ওপর চালানো হয় যৌন নিগ্রহ। খবর গার্ডিয়ান ও ডয়চে ভেলের।

Manual2 Ad Code

সংঘাতের শুরুটা আসলে এ দুই সম্প্রদায়ের অস্তিত্বের লড়াই থেকে শুরু হয়। গত মে মাসের শুরুর দিকে রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেই সম্প্রদায় দাবি করে, তাদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তারা সিংহভাগ হিন্দু ধর্মাবলম্বী। এর মাধ্যমে তারা সরকারি চাকরিতে কোটাসহ বেশ কিছু বাড়তি সুবিধা পাবে।
এ দাবির জোরালো বিরোধিতা করছে কুকিরা। তারা অধিকাংশ খ্রিষ্টান। কুকি সম্প্রদায়ের যুক্তি, ইতোমধ্যে রাজ্যটির সরকারে ও সমাজে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করছে মেইতেইরা। এর পরও তাদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিলে তারা আরও বেশি শক্ত অবস্থান তৈরি করবে। তখন সংখ্যালঘু কুকি সম্প্রদায়ের এলাকার মেইতেই সম্প্রদায়ের লোকেরা জমি কিনতে পারবে কিংবা বসতি স্থাপন করতে পারবে। এতে তারা হুমকিতে পড়বে।কিন্তু এটিকে ‘বাস্তবিকপক্ষে ভুল’ অভিহিত করে আদিবাসী স্বীকৃতি-সংক্রান্ত রায়টি পরে সুপ্রিম কোর্ট স্থগিত করে। কিন্তু ততক্ষণে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code