

রশীদ আহমদ: নিউইর্য়কের ব্রুকলীনের বায়তুল মা’মুর মসজিদ এন্ড কমিউনিটি সেন্টারের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান “বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুল এর সামার প্রোগ্রাম”এর সমাপনী অনুষ্ঠান তথা প্যারেন্ট-টিচার্স কনফারেন্স, রিপোর্ট কার্ড, সনদ ও পুরস্কার বিতরণী গত ২৭শে আগস্ট রোববার বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ১০টায় সেন্টারের হল রুমে পিটিসি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএমএমসিসির সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাইয়াজ ফয়সল।
বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুলের প্রিন্সিপাল মাওলানা রশীদ আহমদ এর সভাপতিত্বে ও স্কুলের শিক্ষক হাফেজ মিজান উল্লাহ,হাফেজ আলী আকবর এর যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক অভিভাবক ও ছাত্র ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি ছিল পরম এক মিলনমেলার মতো ।
শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত মাওলানা আমিনুর রহমান, হাফেজ কাজী ফজলে রাব্বী, হাফেজ রাহাত ইকবাল, হাফেজ আবদুল্লাহ মুত্তাকী, হাফেজ মুহাম্মদ শিহাব, হাফেজ মাহিনুর রহমান, মাহবুবাহ ইয়াসমীন, মাসুমা ইয়াসমীন,সুফিয়া খানম ইমু ও হাবীবা আহমদ।

অনুষ্ঠান সফলতার সাথে সামার প্রোগ্রাম শেষ করায় ক্লাস ভিত্তিক ১ম থেকে ১০ম গ্রেড পর্যন্ত এবং হিফজ শাখার দু’টি গ্রুপ,উইকেন্ড শাখার ৬টি ক্লাসের মধ্যে প্রথম,দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী ৪৮জন ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সনদও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।পাশাপাশি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে রিপোর্ট কার্ড প্রদান করা হয়।
আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি ও স্কুলের প্রিন্সিপাল শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেন। এবারে ২৬২ জন ছাত্র-ছাত্রী উক্ত সামার সেশনে অংশ গ্রহণ করেন।সুচারু রূপে পাঠ দান করেন অভিজ্ঞ ১৮ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

প্রধান অতিথি বিএমএমসিসির সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাইয়াজ ফয়সল উপস্থিত অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের সকলের আরো সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে বিএমএমসিসি একদিন নিউইয়র্কের নামকরা বিদ্যাপীঠে পরিণত হবে ইনশা আল্লাহ।তিনি বিএমএমসিসি ইসলামিক স্কুল এই সামারের অল্প সময়ে শিক্ষার্থীদের সবকিছু শিক্ষা দেয়া সম্ভব নয়। তাই আগামী দিনে শিক্ষার্থীদের স্কুলে পাঠানোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উপর গুরুত্তারোপ করেন।

প্রিন্সিপাল মাওলানা রশীদ আহমদ অভিভাবকদের উদ্দেশ্য বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে নিয়ে আসা এবং ক্লাস শেষে সঠিক সময়ে বাসায় নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন এবং বাচ্চাদের হোমওয়ার্কে ঠিকমতো দেখভাল করা, তাতে স্কুলের শৃংখলা রক্ষা হয়।পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়ন বৃদ্ধি পায়। তিনি বলেন, আগামী ৯ই সেপ্টেম্বর শনিবার থেকে স্কুলের অপর প্রোগ্রাম উইকেন্ড স্কুল শুরু হচ্ছে। ইসলামের মৌলিক শিক্ষা গ্রহণের জন্য পাবলিক স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের উইকেন্ড ক্লাসে ভর্তি করার আহবান জানান তিনি।