আলোকিত মানুষ চাই

লেখক:
প্রকাশ: ২ years ago

Manual1 Ad Code

ফিচার ডেস্ক: বর্তমান পৃথিবীর সব দেশের মানুষ এমন কি না আমি জানি না। একসময়
রাজনীতি করা মানুষ সমাজে সম্মানিত ছিলেন। রাজনীতিকরা ছিলেন সাধারণ মানুষের
কাছে আরাধ্য ও ভরসার স্থল। কিন্তু সময় পালটে গেছে। রাজনীতির নীতি-আদর্শও
এখন ধোঁয়াটে। এখন অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক দলসংশ্লিষ্ট মানুষদের অভিব্যক্তি
দেখে বিস্মিত ও বিমর্ষ হতে হয়।

কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থক হলে শুধু নেতা নন, কর্মী-সমর্থকরাও
মুক্তচিন্তাবিবর্জিত হয়ে যান। নিজ দলের ভুল সাধারণত চোখে পড়ে না। পড়লেও তা
অন্যদের কাছে প্রকাশ করতে চান না। কেউ তার দলের ভুল দেখিয়ে দিলে, গঠনমূলক
সমালোচনা করলেও দুঃখ পান, ক্ষুব্ধ হন। সমালোচকের কথায় যতই যুক্তি থাকুক, তারা
সাধারণত এসব সুবচনকে আস্তাকুঁড়ে ফেলেন এবং সমালোচকদের প্রতিপক্ষ দলের
অনুসারী বিবেচনায় মানসিকভাবে বয়কট করেন।

Manual4 Ad Code

আওয়ামী লীগ যত কথাই বলুক, তারাও জানেন, ভোটাররাও জানেন, আর প্রতি কেন্দ্রে
ভোটগ্রহণের দায়িত্বে যারা ছিলেন তারা তো জানেনই ২০১৮ সালে নির্বাচনকে কীভাবে
গড়াপেটা করা হয়েছিল। বিএনপির নেতৃত্ব ও রাজনীতির দুর্বলতায় জাতীয় ও
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সেই নির্বাচন আওয়ামী লীগ একরকম বৈধ করে ফেলতে
পেরেছিল। চ্যালেঞ্জমুক্ত থাকলে এভাবে বিজয়ীরই শেষে জিত হয়। বিজয়ীকেই বেশির
ভাগ মানুষ জিন্দাবাদ দেয়। এখন সেই নির্বাচনের অন্যায় সম্পর্কে লিখে একজন
মুক্তচিন্তার মানুষ সরকারি দলের রোষানলে পড়বেন; আর এমন বিবেচনা হতে থাকবে
যে, এ ভদ্রলোক বিএনপি-জামায়াত সমর্থক। অথচ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে বেড়ে ওঠা
এই মানুষটি হয়তো আদর্শিক কারণে বিএনপি ও জামায়াতের ছায়া থেকে যোজন যোজন
দূরে থাকেন। আবার একই মানুষই যখন বিএনপির জন্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, জিয়াউর
রহমান কেন রাজাকার শাহ আজিজকে স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী বানালেন, গোপন
বিচারে কেন মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারদের হত্যা করলেন, খালেদা জিয়ার শাসনামলে
একাত্তরের ঘাতক পাকিস্তানি হানাদার সৈন্যদের সহচর ও বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের
দেশের মন্ত্রী বানালেন, সব জেনেবুঝে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার জন্য জিয়াউর
রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে প্রচার করতে থাকলেন। কেন জাতির শোকাবহ দিন
১৫ আগস্ট সব মানবিকবোধ বিসর্জন দিয়ে খালেদা জিয়ার জন্মদিন ঘোষণা করতে

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code