নিউইয়র্কে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

লেখক:
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual2 Ad Code

হাকিকুল ইসলাম খোকন,সিনিয়র প্রতিনিধিঃনিউইয়র্কে গত রবিবার,১৪ জানুয়ারী ২০২৪,যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী পরিবারের উদ্যোগে নিউইয়র্কের বাঙ্গালী অধ্যুষিত এলাকা জ্যাকসন হাইটসে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে ।খবর বাপসনিঊজ।

অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডঃ প্রদীপ রঞ্জন কর এবং সঞ্চালনায় ছিলেন যুক্তরাস্ট্র আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এমএ জাহাঙ্গীর করিম। প্রধান অতিথি ছিলেন সাপ্তাহিক পএিকার প্রধান সম্পাদক ফজলুল রহমান ।বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা – কলামিস্ট সুব্রত বিশ্বাস ,অধ্যাপিকা হোসনে আরা বেগম, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং রমেশ নাথ ।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সর্বজনাব বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল হাসান চৌধুরী,আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল মাহমুদ,আক্তার হোসেন, জালাল উদ্দিন জলিল, সিরাজুল ইসলাম সরকার, নিউইয়র্ক সিটি আওয়ামী লীগ সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মোতাসিম বিল্লাহ দুলাল, কৃষক লীগের সহ- সাধারন সম্পাদক একে চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা ,শেখ মোঃ জুয়েল ও আবরার মাহমুদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন-১০ জানুয়ারি বাঙ্গালী জাতির চিরস্মরণীয় অনন্য ঐতিহাসিক দিন। ঐদিন পাকিস্তানের কারাগারে দীর্ঘ ২৯০ দিন বন্দি থাকার পর ১৯৭২ এই দিনটিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষ স্বাধীনতার পরিপূর্ণতা অর্জন করেছিল।

Manual5 Ad Code

বক্তারা বলেন-এ কথা অবধারিত যে, বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ পেয়েছে মূলত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশে ফিরে আসার মধ্য দিয়ে। তাই ১০ই জানুয়ারি ১৯৭২ এই কারণে বাঙ্গালীর জাতীয় জীবনে এক ঐতিহাসিক দিন। এই দিনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আরো একটি বিষয়ের নির্দেশনা ছিল। তা হলো, ১০ই জানুয়ারি ১৯৭২-এ বঙ্গবন্ধু এক দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দিয়েছিলেন। যে ভাষণে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনসহ নানা নির্দেশনা সংবলিত দার্শনিক ভাবধারা মুলক বক্তব্য উপস্থাপন করেছিলেন, যা ছিল তার আজীবনের আশা-আকাঙ্ক্ষা আর চেতনার দার্শনিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। তাঁর ঐ নির্দেশনা সংবলিত দার্শনিক ভাবধারা মুলক বক্তব্য থেকে অনেক কিছু শিক্ষানীয় রয়েছে।

বক্তারা আরো বলেন-বঙ্গবন্ধু যে কাজ শুরু করেছিলেন তা তিনি সমাপ্ত করে যেতে পারেননি। তাঁর সেই অসমাপ্ত কাজ তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সমাপ্ত করার অবিচল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত সুকৌশলে অগ্রসর হচ্ছেন। বিশ্ব বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তিনি এগিয়ে চলছেন দূবার গতিতে। বর্তমানে বাংলাদেশ সমন্বিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশেষভাবে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, তথ্যপ্রযুক্তি, শিল্পায়ন, সড়ক যোগাযোগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ, শিক্ষা ব্যবস্থায় অমূল পরিবর্তনসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও বৃদ্ধি, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্থানীয় ও তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা, আবাসনসহ প্রায় প্রতিটি খাতভিত্তিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি এখন দৃশ্যমান। এই অগ্রগতি চলমান ও গতিশীল করতে প্রয়োজন দেশপ্রেমিক মানুষের যথাযথ অবদান নিশ্চিত করা। এই অবদান নিশ্চিত করতেই উল্লিখিত সঠিক ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের মানুষের মন ও মননে সঞ্চারিত করতে হবে; যার মাধ্যমে পরিচয় ঘটবে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন, উন্নয়ন দর্শন, শিক্ষা দর্শনসহ সমন্বিত দার্শনিক মূল্যবোধের, যা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে অতীব গুরুত্ববহ। আর তাহলেই এই দেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন প্রকৃত আদর্শবান দেশপ্রেমিক মানুষ। যে মানুষের কথা বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ১০ই জানুয়ারি ১৯৭২ সনে। যে কারণে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ইতিহাসের আলোকে গুরুত্ববহ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

Manual5 Ad Code

তাই বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের অঙ্গীকার, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি থেকে শিক্ষা গ্রহন করব এবং তাঁর আদর্শ, দর্শন ও তাঁর জীবনকে আমরা অনুশিলন ও আত্মস্থ করব এবং বস্তবে তা প্রয়োগ করব।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code