জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি আমল

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ২ years ago

Manual3 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: জুমার দিন বা শুক্রবার সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনের মর্যাদা ও তাৎপর্য অনেক বেশি। ফজিলতের কারণে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। জুমার দিনের ফজিলত সম্পর্কে বহু হাদিস বর্ণিত হয়েছে।

Manual4 Ad Code

হাদিসে জুমার দিনের ১৭টি সুন্নাত পাওয়া উল্লেখ করা হয়েছে। নিম্নে তা তুলে ধরা হলো—
১. গোসল করা, (বুখারি)।
২. মিসওয়াক করা, (ইবনে মাজাহ : ১০৯৮)।
৩. উত্তম পোশাক পরিধান করা, (ইবনে মাজাহ : ১০৯৭,)।
৪. সুগন্ধি ব্যবহার করা, (বুখারি : ৮৮০)।
৫. মসজিদে প্রবেশের পর অন্য মুসল্লিদের ফাঁক করে বা গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যাওয়া, (বুখারি : ৯১০)।
৬. কাউকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে বসার চেষ্টা না করা, (বুখারি : ৯১১)।
৭. সালাতের জন্য কোনো একটা জায়গাকে নির্দিষ্ট করে না রাখা, যেখানে যখন জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানেই সালাত আদায় করা, (আবু দাউদ : ৮৬২)।
৮. নির্ধারিত নামাজ আদায় করা। এমনকি ফরজ সালাতের আগে ও পরে দুই-চার রাকাত করে নফল সালাত আদায় করা, (বুখারি : ৯৩০)।
৯. গায়ে তেল ব্যবহার করা, (বুখারি : ৮৮৩)।
১০. হেঁটে মসজিদে গমন করা, (মুসলিম : ১৪০০)।
১১. মসজিদে যাওয়ার আগে কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন না খাওয়া ও ধূমপান না করা (বুখারি : ৮৫৩)।
১২. ঘুমের ভাব বা তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে বসার জায়গা পরিবর্তন করে বসা, (আবু দাউদ : ১১১৯)।
১৩. ইমামের খুতবা দেওয়া অবস্থায় দুই হাঁটু উঠিয়ে না বসা, (আবু দাউদ : ১১১০, ইবনে মাজাহ : ১১৩৪)।
১৪. খুতবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা, (আবু দাউদ : ১১০৮)।
১৫. এতটুকু জোরে আওয়াজ করে কোনো কিছু না পড়া বা তিলাওয়াত না করা, যাতে অন্যের সালাত ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে (আবু দাউদ : ১৩৩২)।
১৬. ইমামের খুতবার জন্য বের হওয়া থেকে সালাত শেষ করা পর্যন্ত নীরবতা অবলম্বন করা। তবে কেউ কথা বলতে দেখলে তাকে চুপ করতে বা বারণ করতেও হাদিসে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে (আবু দাউদ : ১১১২)।
১৭. বেশি বেশি প্রার্থনা (দুআ) করা, (বুখারি : ৯৩৫)।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code