

ডেস্ক রিপোর্ট: বন্দরনগরীসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭ টা ১৫ মিনিটে ভূমিকম্পের মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের কাঁপুনি টের পেয়ে অনেকেই ভয়-আতঙ্কে বাড়িঘরের বাইরে বেরিয়ে খোলা জায়গায় চলে আসেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা এ সময়ে দোয়া দরুদ কালাম পাঠ করেন। তবে কোথাও ক্ষয়ক্ষতির খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ির সর্বত্র আজ সন্ধ্যায় ভূমিকম্প অনুভত হয়েছে।
এ ভূমিকম্পের পরবর্তী আরও ভূমিকম্প হতে পারে এমন আশঙ্কায় অনেকেই ভয় আতঙ্কে আছেন। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সর্বত্র চট্টগ্রামবাসী ভূমিকম্প নিয়ে আলোচনায় মশগুল ছিলেন ভয়ের কারণ হিসেবে। এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল (ইপি সেন্টার) চট্টগ্রাম থেকে ২২০ কিলোমিটার পূর্বে মিয়ানমারের মাওলাইকে ভূগর্ভের একশ’ কিলোমিটার গভীরে। চট্টগ্রাম থেকে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব কম হওয়ায় চট্টগ্রামে এর ঝাঁকুনি ছিল মাঝারি ধরনের। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। অর্থাৎ মাঝারি মাত্রার। তবে কোন কোন বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থা বলেছে এর মাত্রা ৫ দশমিক ৬ মাত্রার। এদিকে ভূতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, ঘন ঘন মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প হওয়া মানে অদূর ভবিষ্যতে শক্তিশালী মাত্রায় ভূমিকম্পের আশঙ্কার আলামত বা অশনি সঙ্কেত। বাংলাদেশ ও এর আশপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভূমিকম্পের সুপ্ত জোনে অবস্থিত। দূর অতীতে এ অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৭, ৭.৫, ৮, ৮.৫ এর পর্যায়ে প্রচন্ড শক্তিশালী মাত্রায় ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। এতে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছিল। ভূমিকম্প নিয়ে জনসাধারণের মাঝে যতটা ভয়-আতঙ্ক সেই তুলনায় ভূমিকম্পে সতর্কতা ও পূর্ব প্রস্তুতি এবং গণসচেতনতার অভাব রয়েছে।
সুত্র:এফএনএস ডটকম