ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে টানা সপ্তম দিনের মতো সীমান্তে গোলাগুলি

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ১ বছর আগে

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

Manual2 Ad Code

ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে টানা সপ্তম দিনের মতো গোলাগুলি হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার গভীর রাতে কাশ্মীরে বিবদমান সীমান্তে এই গোলাগুলি হয়। এতে কেউ হতাহত হয়েছে কি না জানা যায়নি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

Manual5 Ad Code

ভারতীয় সেনাবাহিনী দাবি করেছে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী কাশ্মীরে দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত লাইন অব কন্ট্রোল (এলওসি) বা নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর কুপওয়ারা, উরি ও আখনূর সেক্টরে হালকা অস্ত্র দিয়ে গুলি চালিয়েছে। এ নিয়ে টানা সপ্তম রাতে সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনা ঘটল। ভারতীয় সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা এর যোগ্য জবাব দিয়েছে।

গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। এর মধ্যেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর বুধবার রাতেও গোলাগুলি হলো। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের বিষয়ে গত মঙ্গলবার দুই দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) আলোচনা করেছেন। ভারতীয় ডিজিএমও পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানো থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করেছেন।

এই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ২০০৩ সালের এক চুক্তিকে ঝুঁকিতে ফেলেছে। দুই দেশ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই ৭৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের উত্তেজনা বৃদ্ধির পর চুক্তিটি মেনে চলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছিল।

Manual4 Ad Code

এই লঙ্ঘন এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে নয়াদিল্লির সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে ওয়াশিংটনের সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে জোর দিয়ে বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর হামলার প্রতিক্রিয়ার ধরন, লক্ষ্য এবং সময় বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অপারেশনাল স্বাধীনতা আছে।

Manual5 Ad Code

এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিখ জানান, মঙ্গলবার আলাদাভাবে দুই নেতার সঙ্গে কথা বলেন গুতেরেস। এ সময় তিনি ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি হতে পারে এমন যেকোনো সংঘাত এড়িয়ে চলতে উভয় পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। প্রয়োজনে ‘সৌহার্দপূর্ণ মধ্যস্থতা’রও প্রস্তাব দেন তিনি।

এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়, জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে আলাপকালে দিল্লিকে দায়িত্বশীল আচরণ ও সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানোর অনুরোধ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ভারতের একতরফাভাবে সিন্ধু পানিচুক্তি স্থগিতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সিন্ধু অববাহিকার পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের যেকোনো পদক্ষেপ পাকিস্তানের কাছে অগ্রহণযোগ্য।

ডেস্ক: এন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code