পুনর্বাসনের দাবিতে হাসপাতালে বিষ পান করলেন চার জুলাইযোদ্ধা

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ১ বছর আগে

Manual8 Ad Code

ঢাকা ডেস্ক:

Manual5 Ad Code

পুনর্বাসনসহ দুই দফা দাবি পূরণের জন্য জুলাই আন্দোলনে আহত চার যুবক রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকা অবস্থায় বিষপান করেছেন। পরে তাঁদের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁরা শঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

Manual7 Ad Code

রোববার ( ২৫ মে ) দুপুরে আগারগাঁওয়ের জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পরিচালকের কক্ষে একটি বৈঠক চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। বিষপানকারী চারজন হলেন শিমুল, মারুফ, সাগর ও আখতার হোসেন (আবু তাহের)।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জুলাই ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) সঙ্গে চলমান বৈঠকের সময় ওই চারজন দাবি নিয়ে তাঁর কক্ষে যান। সিইও তাঁদের অপেক্ষা করতে বললে ক্ষুব্ধ হয়ে সেখানেই বিষপান করেন তাঁরা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁদের কাছে আগে থেকেই বিষ ছিল।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আহত হয়ে ভর্তি থাকা চারজন আজ বিষপান করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁরা সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।’

তিনি আরও জানান, ‘আজ আমাদের একটি মিটিং ছিল জুলাই ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে। মিটিং চলাকালে তাঁরা সিইওর সঙ্গে কথা বলতে আসেন। তিনি হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে কথা শেষ করে আহতদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান। কিন্তু তাঁরা বের হয়ে সেখানে বিষ পান করেন। এরপরই তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে চারজনই সুস্থ আছেন।’ তাঁদের মধ্যে একজন এক মাস আগে সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা নিয়ে এসেছেন বলে ও জানান তিনি।

Manual2 Ad Code

ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে হাসপাতালে ৫৫ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে ৪৬ জন সুস্থ আছেন এবং তাঁদের আর হাসপাতালে ভর্তি থাকার প্রয়োজন নেই। সাত-আটজনের চিকিৎসা প্রয়োজন, তাঁদের কিছু সমস্যা রয়েছে। তবে তাঁরা এখনো যেতে চাচ্ছেন না, সম্ভবত তাঁরা মনে করছেন এখানে ডাক্তাররা আছেন এবং চিকিৎসা চলছেই, তাই তাঁরা নিরাপদে আছেন।’

তবে তিনি বলেন, ‘যাঁরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাঁদের বেশির ভাগই মানসিকভাবে ভালো নেই। তাঁরা আশঙ্কা করছেন যে যদি হাসপাতাল থেকে চলে যান, তাহলে তাঁদের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন সমস্যা এবং সংকটে পড়তে পারেন। তাই তাঁরা হাসপাতাল ছাড়তে চাচ্ছেন না।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘তাঁদের চিকিৎসা শেষ। তারপরও তাঁরা জোর করে হাসপাতালে ভর্তি থাকতে চাচ্ছেন। হাসপাতালের চিকিৎসক বোর্ড তাঁদের ভর্তি দেয়নি। কিন্তু জুলাই ফাউন্ডেশন থেকে তাঁরা লিখিত এনে গত বৃহস্পতিবার রাতে জোর করে আবারও ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া গত বৃহস্পতিবার স্টাফদের সঙ্গেও তাঁদের ঝগড়া হয়।’

ডেস্ক: আর

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code