সিলেট ডেস্ক:
সুনামগঞ্জে সুরমা, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী নদীর পানি কমেছে। গত রোববার সকাল ৯টা থেকে সোমবার ( ০২ জুন ) সকাল ৯টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সুনামগঞ্জে ২৫ মিলিমিটার ও ছাতকে ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের উজানে মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জি এবং অন্যান্য স্থানে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বৃষ্টিপাত হয়নি বলে মেঘালয়ের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে।
রবিবার ( ০১ জুন ) সন্ধ্যা ৬টায় ৬.৮৯ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল সুরমার পানি। সোমবার ( ০২ জুন ) সকাল ৬টায় ৩ সেমি কমে পৌর শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি ৬.৮৬ সেমি উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল, যা বিপৎসীমার ০.৯৪ সেমির নিচে রয়েছে। এ ছাড়া সকাল ৬টায় লাউড়েরগড়ে যাদুকাটা নদীর পানি ৬.২৫ সেমি উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল, যা বিপৎসীমার ১.৮ সেমি নিচে রয়েছে। তবে দিরাইয়ে সুরমা নদীর পানি ৬ সেমি বেড়ে ৫.৫১ সেমি উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে, তবে এটি বিপৎসীমার ১.০৪ সেমি নিচে রয়েছে। সোমেশ্বরী নদীর পানি ১০.৮৭ সেমি উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে, যা বিপৎসীমার ২.৩৩ সেমি নিচে রয়েছে।
রবিবার ( ০১ জুন ) সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির জরুরি খবর আদান-প্রদান এবং জনগণের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের ২০৪ নম্বর কক্ষে (২য় তলা) নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণকক্ষে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী শুভ দেবনাথ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শাহীন আলম ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহায়ক মো. সাজু মিয়া দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে ৩১ মে তাহিরপুরে বন্যা পরিস্থিতি ও সতর্কতা অবলম্বনে ৭টি ইউনিয়নে ৩৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়। এদিকে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
ডেস্ক: এস
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।