

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রতিকূলতাকে জয় করে সফলতার শীর্ষে উঠার এক দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন জুলিয়া স্টুয়ার্ট। যুক্তরাষ্ট্রের এই নারী উদ্যোক্তা একসময় অ্যাপলবি’স-এর প্রেসিডেন্ট ছিলেন। কোম্পানিকে ঘুরে দাঁড় করানোর বিনিময়ে সিইও পদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পান তিনি। মাত্র তিন বছরের মধ্যে অসাধারণ সাফল্য এনে দিলেও তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তার জন্য সিইও চেয়ারে কোনো স্থান নেই। এই অপমান তাকে ভেঙে না দিয়ে নতুন প্রেরণা জোগায়। তিনি অ্যাপলবি’স ছেড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ফাস্ট ফুড চেইন আইহপে (IHOP) যোগ দেন। সেখানে পাঁচ বছরের প্রচেষ্টায় তিনি ব্র্যান্ডটিকে পুনর্গঠন করে সাফল্যের শিখরে তোলেন। এরপর ২০০০ সালের দিকে তিনি সাহসী পদক্ষেপ নেন—আইহপের হয়ে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে অ্যাপলবি’স কিনে নেন। পিপল ম্যাগাজিনের তথ্যমতে, অ্যাপলবি’স অধিগ্রহণের পর জুলিয়া তার পুরোনো বসকে ফোন করে বলেন—এখন এই কোম্পানিতে “আমাদের দুজনের” প্রয়োজন নেই। ফলে যিনি তাকে সিইও হতে দেননি, তাকেই চাকরিচ্যুত করার সুযোগ পান জুলিয়া। গত এপ্রিলে একটি পডকাস্টে সেই অভিজ্ঞতার কথাই তুলে ধরেন তিনি। অ্যাপলবি’স কেনার পর জুলিয়া এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মূল প্রতিষ্ঠান ডাইন ব্র্যান্ডস গ্লোবাল-এর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি মার্কিন রেস্টুরেন্ট চেইন বোজাঙ্গলস-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক অ্যাপের প্রতিষ্ঠাতা। জুলিয়া স্টুয়ার্টের গল্প প্রমাণ করে—কোনো প্রতিকূলতা বা অবমূল্যায়ন একজন দূরদর্শী নেতার স্বপ্নকে থামাতে পারে না। বরং তা হয়ে উঠতে পারে জীবনের সবচেয়ে বড় মোড় ঘোরানোর অনুপ্রেরণা।