ওষুধ নয়, ঘরোয়া উপায়ে কমান মাথা ব্যথা – BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, রাত ১:২১, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ



 

ওষুধ নয়, ঘরোয়া উপায়ে কমান মাথা ব্যথা

newsuk
প্রকাশিত নভেম্বর ৮, ২০২৫
ওষুধ নয়, ঘরোয়া উপায়ে কমান মাথা ব্যথা

Manual5 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : অনেক সময় টানা মাথা ব্যথায় যখন আপনি হয়রান, তখন শুনতে হয়- মাথা থাকলে ব্যথা হবেই! চরম অসহনীয় এই মাথা ব্যথা হতে পারে ঘুমের অভাবে, দুশ্চিন্তার কারণে, পানিশূন্যতা বা চোখের ক্লান্তি থেকে। হালকা মাথাব্যথা কমাতে নিচের কিছু ঘরোয়া টোটকা বেশ কার্যকর-

পানি পান করুন

Manual3 Ad Code

পানি শূন্যতা মাথা ব্যথার সাধারণ কারণ। তাই সাধারণ মাথা ব্যথা হলে প্রথমেই ১-২ গ্লাস পানি পান করুন। দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করাটা গুরুত্বপূর্ণ। দিনে ১০ গ্লাস পানি খেলে শরীর ডিহাইেড্রটেড হয় না এবং মাথা ব্যথা এড়ানো যেতে পারে।

আদাযুক্ত চা বা পানি

আদা প্রদাহ কমায় ও রক্ত চলাচল বাড়ায়। মাথা ব্যথা অনুভূত হলে এক চামচ কুচানো আদা এক কাপ পানিতে ৫ মিনিট ফুটিয়ে চা তৈরি করে খান। বা চা খাওয়া অভ্যাস না থাকলে কেবল আদাযুক্ত হালকা গরম পানিও খেতে পারেন।

লেবু-পানি খুব কার্যকর

Manual4 Ad Code

অতিরিক্ত গ্যাস বা হজমের সমস্যা থেকেও মাথা ব্যথা হতে পারে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা লেবুর রস ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে পান করুন। লেবুর রসের সঙ্গে সামান্য কাঁচামরিচ কুচি আর সামান্য গরম পানি দিয়ে ওষুধের মতো খেয়ে নিতে পারেন। পুদিনা তেল কপালে ও কানের পাশে হালকা মালিশ করলেও আরাম পেতে পারেন।

নিতে পারেন ঠাণ্ডা বা গরম সেঁক

আগে জানতে হবে আপনার মাথা ব্যথার কারণ উদঘাটন করতে পারছেন কিনা। টেনশনের কারণে যদি মাথা ব্যথা হয় তাহলে কপাল বা ঘাড়ে ঠাণ্ডা পানিতে ভেজানো কাপড় রাখলে সেটা কমে। সাইনাস বা মাংসপেশির টান থাকলে গরম তোয়ালে ব্যবহার করতে পারেন।

নিয়ম করে বিশ্রাম ও ঘুম

অল্প সময়ের জন্য চোখ বন্ধ করে অন্ধকার, নিরিবিলি ঘরে বিশ্রাম নিলে মাথাব্যথা কমতে পারে। ঘুম কম হলে, পরিশ্রম বেশি হলে মাথা ব্যথা শুরু হয়। ফলে যখন তখন কিছুক্ষণের জন্য চোখকে আরাম দিন। চোখ বন্ধ করার আগে খালি পেটে আপেল খেলে বা সামান্য আপেলসাইডার ভিনেগার পানিতে মিশিয়ে খেলে কিছু ক্ষেত্রে আরাম মেলে।

Manual6 Ad Code

ইয়োগা হতে পারে সমাধান

যদি মাথা ব্যথা হয় চোখের চাপ, স্ট্রেস বা ঘুমের অভাবে, তাহলে ইয়োগা খুবই কার্যকর। মাথাব্যথা সাধারণত হয় নানাবিধ স্ট্রেস বা টেনশন, ঘুমের অভাব, চোখের চাপ (স্ক্রিনে বেশি সময়), ডিহাইড্রেশন (পানি কম খাওয়া), মাংসপেশির টান, ঘাড় বা পিঠে চাপ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থেকে। ইয়োগার ধ্যান ও শ্বাস-প্রশ্বাস মনকে শান্ত করে, কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) কমায়। ইয়োগা মাথায় রক্ত প্রবাহ ঠিক রাখে, ফলে চাপ কমে। ইয়োগা হরমোন ব্যালেন্স করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে থাইরয়েড বা স্ট্রেস-রিলেটেড সমস্যা দূর হয়।

খুব সাবধান

Manual3 Ad Code

যদি মাথা ব্যথা নিয়মিত, অত্যধিক তীব্র বা চোখ ঝাপসা দেখায়, মাথা ঘোরা বা বমি বমি ভাব থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code