যুক্তরাষ্ট্রে আগামীকাল মধ্যবর্তী নির্বাচন, আগাম ভোট ৫ কোটি ৪০ লাখের বেশি

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ১ ঘন্টা আগে

Manual1 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রে আগামীকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে প্রচার-প্রচারণা ও রাজনৈতিক তৎপরতা শেষ মুহূর্তে তুঙ্গে উঠেছে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক পার্টি ভোটারদের সমর্থন আদায়ে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। নির্বাচনের আগে প্রকাশিত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে ৫ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ আগাম ভোট দিয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে আগাম ভোটের হারও আগের মধ্যবর্তী নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আলাস্কা, কানসাস, টেক্সাস, নর্থ ক্যারোলাইনা ও মিশিগানের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলো সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রচারণার শেষ পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আইওয়া ও কানসাসে জনসভা করে রিপাবলিকান প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও ডেমোক্রেটিক প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে অর্থনীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, অভিবাসননীতি, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রেসিডেন্টের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের জন্যও নির্বাচনটি গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সিদ্ধান্ত অভিবাসন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন না। এ নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের সব আসন এবং সিনেটের নির্দিষ্ট সংখ্যক আসনে ভোট হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে গভর্নর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকালের ভোটের ফল কংগ্রেসে ক্ষমতার ভারসাম্য এবং প্রেসিডেন্টের বাকি মেয়াদে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code