

Kiev, Ukraine - October 17, 2012 - A logotype collection of well-known social media brand's printed on paper. Include Facebook, YouTube, Twitter, Google Plus, Instagram, Vimeo, Flickr, Myspace, Tumblr, Livejournal, Foursquare and more other logos.
সম্প্রতি এক গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাপ্তবয়সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনের দেখভাল করে। মানসিক অবসাদ, উদ্বেগ কমায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ঘন ঘন যাতায়াত।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার মঞ্চ এবং প্রযুক্তি প্রাপ্তবয়সে সামাজিক সম্পর্ক রক্ষা করতে সাহায্য করে।
এতদিন পর্যন্ত হওয়া যাবতীয় গবেষণার অধিকাংশই স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়ার ওপর সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব নিয়ে হতো, প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে এতদিন পর্যন্ত এ ধরণের কোনও সমীক্ষা হয়নি বলে দাবি করছেন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক কেইথ হ্যাম্পটন।
১৩০০০ মানুষকে নিয়ে সমীক্ষা হয়েছিল। ২০১৫ এবং ২০১৬ সালের তথ্যের ভিত্তিতে গবেষক দল সিদ্ধান্তে এসেছে প্রাপ্তবয়সে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারে অবসাদ, উদ্বেগের মতো মানসিক রোগের শিকার হওয়ার হার ক্রমশ কমে আসছে।
সমীক্ষা বলছে, পরিবারের একাধিক সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকায় সম্পর্ক রক্ষা করা অনেক সহজ হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিবার এবং বৃহত্তর পরিবারের যে সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, তারা সবাই মানসিক ভাবে সুস্থ।
‘জার্নাল অব কম্পিউটার মেডিয়েটেড কমিউনিকেশন’-এ প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত গবেষণাটি। সোশ্যাল মিডিয়া এবং প্রযুক্তি মানসিক সংকট বাড়িয়ে তুলছে, এই বহু প্রচলিত ধারনাকে চ্যালেঞ্জ করেছে সদ্য প্রকাশিত হওয়া এই সমীক্ষা।
সমীক্ষা বলছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকলে মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা ১.৬৩ গুণ বেড়ে যায়।