

সফিউল আলম সফি, আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) :
আক্কেলপুর পৌর সভা সহ ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ২ লক্ষ লোকের জন্য ২৩,শ পিচ কম্বল বরাদ্ধ পাওয়া গিয়েছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় নগন্য। এবার শীতের তীব্রতা বেড়ে চলায় জনজীবন ও প্রাণীকুল বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বেড়েছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
গত ৪দিন থেকে শুরু হওয়া উত্তর থেকে বয়ে আসা মৃদুশৈতপ্রবাহ ও কুয়াশার প্রভাবে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে সুর্যের মুখ দেখা যায়নি।শীতের তীব্রতায় এলাকাবাসির দূর্ভোগ বেড়েই চলেছে। দিনমজুর রৈাকেরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের দূর্ভোগে পড়তে হয়েছে বেশি। শীতের তীব্রতার ফলে সর্দ্দি , কাশি, ডায়রিয়া, স্বাসকষ্টের রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে। উপজেরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রুগিদের আগমন বৃদ্ধি পেয়োছে।
গত ৪দিনে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ডায়রিয়ায়,নিউমোনিয়া,এজমায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন প্রায় ১২’শতাধিক শিশু ও বয়স্কজনেরা। বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে শ্রমজীবী মানুষের আয় রোজগার। ঘনকুয়াশায় সুর্য্য ঢেকে থাকায় চালের বাজার কিছুটা বেড়েছে। দরিদ্র জনগোষ্টির মাঝে চলছে হতাশা তারা শীতে ভীষন কষ্ট ভোগ করছে। খড়কুটো যোগাড় করে আগুন জ্বালিয়ে তারা শীত নিবারনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
ঘণ কুয়াশা ও উত্তর থেকে বয়ে আসা মৃদুশৈত প্রবাহের কারণে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে এলাকার পথঘাট জনশুন্য হয়ে পড়ছে। শীতের তীব্রতায় কর্মজিবী মানুষেরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে।কাজে যেতে না পেরে শ্রমজীবী মানুষেরা মানবেতর জীবন যাপন করছে। প্রাণ ও প্রাণীকুল শীতের তীব্রতায় হয়ে পড়েছে জবুথবু।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যকর্তা (পি আইও) ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবুর রহিম আমাদের অর্থনীতিকে জানান, সরকারীভাবে ২লক্ষ মানুষের জন্য ২৩’শ পিচ কম্বল সরকারী ভাবে বরাদ্ধ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত শীত নিবারণের কম্বলগুলো ইতমধ্যে ১টি পৌর সভা ও ৫টি ইউনিয়নের মেয়র ও চেয়ারম্যানদের অনুকুলে দঅসহায় দুস্থদের মধ্যে সরবরাহের জন্য দেয়া হয়েছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় নগন্য বলে দাবী জন প্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্টদের ।
প্রয়োজনের তুলনাই অনেক কম হলেও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকিউল ইসলাম নিজে রাতে কিছু কম্বল তাঁর অফিস গাড়িতে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও বন্দরে অবস্থানরত হতদরিদ্র ও ছিন্নমুল অসহায়দের মাঝে বিতরণ করছেন।