পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ২ মাস আগে

Manual1 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : আসন্ন পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি)  সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Manual1 Ad Code

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এই বিশাল কর্মসূচি তদারকির জন্য অর্থ সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি শক্তিশালী সচিব কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Manual8 Ad Code

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, ‘কৃষক কার্ড কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি দেশের প্রতিটি কৃষকের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক হবে।’ এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা ধাপে ধাপে বিভিন্ন সরকারি সেবা লাভ করবেন। এর আওতায় কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি, সহজ শর্তে কৃষিঋণ এবং কৃষি বীমার মতো অত্যাবশ্যকীয় সুবিধা পাবেন।

শুধু শস্য উৎপাদনকারী কৃষকই নয়, বরং মৎস্য চাষী ও প্রাণিসম্পদ খামারিদেরও এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। এ ছাড়াও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষকেরা আবহাওয়া, বাজার তথ্য এবং ফসলের রোগবালাই দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

Manual2 Ad Code

কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সারা দেশের সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এরপর প্রাক-পাইলট পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ৯টি নির্বাচিত উপজেলার ৯টি ব্লকে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

নির্বাচিত উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করবে।

Manual8 Ad Code

এই কর্মসূচির মাধ্যমে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন। এ ছাড়াও খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে।

সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাক-পাইলট ও পাইলট পর্যায় শেষ করে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এটি দেশের কৃষি খাতে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে সরকার আশা প্রকাশ করছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code