

ডেস্ক রিপোর্ট : সামাজিক মাধ্যমে এ ঘটনার পক্ষে বিপক্ষে নানা মন্তব্য উঠে আসে। যার জেরে এবার ব্যবহারকারীদের এসব পোস্ট পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। ইউটাহ ভ্যালি ইউনিভার্সিটিতে বুধবার শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ডানপন্থি প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব চার্লি কার্ক। কার্কের মৃত্যু একদিকে রক্ষণশীল মহলে শোক জাগিয়েছে। অন্যদিকে সমালোচকদের চোখে তিনি থেকে গেছেন বিভেদ সৃষ্টিকারী চরিত্র হিসেবে। তার মৃত্যুকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে এ ঘটনার পক্ষে বিপক্ষে নানা মন্তব্য উঠে আসে। যার জেরে এবার ব্যবহারকারীদের এসব পোস্ট পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। কার্কের মৃত্যুর পক্ষ নিয়ে দেয়া পোস্টের কারণে বাতিল হতে পারে অ্যামেরিকান ভিসা।
ইউএস স্টেট ডিপার্ট্মেন্ট বৃহস্পতিবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছে, অনলাইনে ডানপন্থি প্রভাবশালী চার্লি কার্ক হত্যাকে সমর্থন করা হলে বিদেশিদের ভিসা বাতিল করা হতে পারে। ডেপুটি সেক্রেটারি ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ এক্সে দেয়া এক পোস্টে বলেন, ‘একজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের আলোকে, আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে সহিংসতা ও ঘৃণা ছড়ানোকে প্রশংসা করা বা প্রশ্রয় দেওয়াকে ঘৃণিত কাজ। এমন ব্যবহারকারীদের অ্যামেরিকা স্বাগত জানাবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ এ ঘটনার প্রশংসা করেছে বা যা বিব্রতকর। এ বিষয়ে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ল্যান্ডাউ তার পোস্টে দ্রুত কিছু প্রতিক্রিয়া পান। যেখানে ব্যবহারকারীরা অনলাইন এ ঘটনাকে উৎসাহ দেয়া কিছু মন্তব্যের কথা উল্লেখ করেন এবং বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিলের পরামর্শ দেন। ল্যান্ডাউ ব্যবহারকারীদের এ বিষয়ে আরও তথ্য পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে প্রতিশ্রুতি দেন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এসব পোস্ট পর্যালোচনা করবে। অ্যামেরিকার রক্ষণশীল তরুণদের আন্দোলনে সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের একজন ছিলেন চার্লি কার্ক। টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি নতুন প্রজন্মের ডানপন্থি কর্মীদের চিন্তাধারাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিলেন।