অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণা দুর করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual2 Ad Code

সম্পাদকীয়: বর্তমানে সারা দেশে নিবন্ধনকৃত এক হাজারের বেশি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। এসব সাইটের মাধ্যমে প্রতিদিন ৫০ হাজারেরও বেশি পণ্য ডেলিভারি হয়ে থাকে। ই-কমার্সের প্রতি মানুষের এ নির্ভরতার সুযোগ নিয়ে কিছু অসৎ চক্র গ্রাহকদের সঙ্গে করছে প্রতারণা। অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপন আর লোভনীয় অফার দেখে অনেক মানুষ পণ্য কিনে নানাভাবে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে চাহিদা অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত পণ্য সরবরাহ না করা এবং করলেও নিুমানের পণ্য সরবরাহ করার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে চলছে। করোনাকালে এই প্রতারণা আরও বেড়ে গেছে। লকডাউনে গৃহবন্দি মানুষের পক্ষে প্রয়োজনীয় বা পছন্দের পণ্যটি যখন মার্কেটে গিয়ে কেনা সম্ভব হচ্ছে না, তখন তিনি তার অর্ডার করছেন অনলাইনে। কিন্তু যে পণ্যটি অর্ডার করা হচ্ছে, প্রতারকরা সেটি না দিয়ে দিচ্ছে নিুমানের বা অর্ডারের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন আরেকটি পণ্য। বর্তমানে ফেসবুকে বিভিন্ন পেইজ বা গ্রুপের মাধ্যমেও কেনাকাটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই ব্যক্তি উদ্যোগে পেইজ খুলে অনলাইনে ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য সাইট কোনটি তা বোঝা কঠিন। অনেকে বিক্রির নামে প্রতারণা করায় এর প্রভাব পড়ছে দেশের ই-কমার্সের ওপর, যা ডিজিটাল বাজারব্যবস্থার প্রসার তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে অন্তরায়। কোনো আকর্ষণীয় বা লোভনীয় বিজ্ঞাপন বা অফার দেখেই হুট করে অর্ডার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রথমেই প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা এবং মালিকের নাম-ঠিকানায় অসামঞ্জস্য আছে কিনা তা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স ঠিকঠাক আছে কিনা তা দেখতে হবে। অনেক অনলাইন প্রতিষ্ঠানও ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। ওয়েবসাইটে ট্রেড লাইসেন্সের কপি আছে কিনা দেখতে হবে। যদি না থাকে তাহলে ট্রেড লাইসেন্স করা আছে কিনা এবং থাকলে তার নিবন্ধন নম্বর কত তা জেনে নিতে হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code