

লন্ডন অফিস:
লন্ডনের অভিজাত ডিপার্টমেন্ট স্টোর হ্যারডসের সাবেক মালিক আল ফায়েদ শুরুতে ঠাণ্ডাপানীয় বিক্রেতা ছিলেন। এরপর সেলাইমেশিনের বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে তিনি আবাসন ও জাহাজ নির্মাণ কাজের ব্যবসা করেন। এভাবে নিজের ভাগ্য গড়ে তোলেন মিসরীয় ধনকুবের ফায়েদ।
চার দশকে ১১১ জনের বেশি নারীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে এই ধনকুবেরের বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সি ভুক্তভোগীর বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
ফায়েদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে লন্ডনের মেফেয়ার এলাকার ওই নারী জানান, ঘটনার সময় তিনি ছিলেন একজন কিশোরী। ফায়েদ একজন রাক্ষসের মতো ছিলেন। তার মধ্যে কোনো নৈতিকতা ছিল না। হ্যারডসের সব কর্মী তার কাছে ছিলেন ‘খেলনার’ মতো।
যুক্তরাজ্যের লন্ডন, ফ্রান্সের প্যারিস ও সেন্ট ত্রোপেজ এলাকা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে ফায়েদের যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের ঘটনাগুলো ঘটেছে। ভুক্তভোগী কয়েকজন নারীর হয়ে কাজ করেন আইনজীবী ব্রুস ড্রামমন্ড।
তিনি বলেন, হ্যারডসের ভেতরে দুর্নীতি ও নিপীড়নের যে জাল বোনা হয়েছিল, তা ছিল অবিশ্বাস্য ও খুবই অন্ধকারের। ভুক্তভোগী এক নারী হ্যারডসের অন্ধকার জগতের বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, লন্ডনের পার্ক লেনের একটি বাসায় তাকে ধর্ষণ করেছিলেন ফায়েদ। এতে তার কোনো সম্মতি ছিল না। সেটা ফায়েদকেও জানিয়েছিলেন। তবে কোনো কাজ হয়নি।