অলংকার যখন সামুদ্রিক শাঁস

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual4 Ad Code

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ তার অনুসন্ধানী মন নিয়ে মহাকাশ জানতে শুরু করে আর সেই মহাকাশের সাথেই গভীর বন্ধুত্ব হলো সাগর আর মহাসাগরের। সাগর বা সামুদ্রিক বিদ্যার কিছু গবেষকের মতে চাঁদের রুপালি আলোর প্রভাবেই সামুদ্রিক শাঁসের (কড়ি, ঝিনুক, শামুক, করতাল) উপর রুপালি আভার চকচকে রঙ বা বর্ণের রূপ ফুটে উঠে।

এমনকি সাগর ও মহাসাগর ভেদেও সামুদ্রিক শাঁসের রঙ, রূপ ও খোলের ধরন পরিবর্তন হয়। এই শাঁসকেই যুগে যুগে মানুষ কখনো বিনিময়ের মাধ্যম, বিশ্বাস ও আনন্দের ধারক, সৌভাগ্যের সাফল্য কিংবা প্রশান্তি হিসেবে, শুভ শক্তির ধারক, নারী শক্তির উৎস বা বিবাহে পবিত্র উপহার হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

সাগরবক্ষ থেকে সংগৃহীত দৃষ্টিনন্দন এমন কিছু শাঁস নিয়ে মনসিজ ক্র্যাফট তাদের অলংকার নকশা করেছে। এসব অলংকার তৈরিতে মূলত প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি কড়ি, শামুক, ঝিনুক, করতাল, চাষকৃত মুক্তা, ও পাথর ব্যবহার করা হয়েছে। অলংকারে নকশা হিসেবে কখনো জ্যামিতিক ফর্ম কখনো প্রকৃতি প্রদত্ত তৈরি ফর্মকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

Manual3 Ad Code

প্রতিদিন সোনা-রুপা পরার চাইতে ফ্যাশন জুয়েলারির দিকেই এখন আধিক্য বেশি। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এমন জুয়েলারি সব পোশাকের সাথে মানিয়ে যায়। যেহেতু সামুদ্রিক শাঁস বা কড়ি শেলে শুভ্রতার প্রাধান্য বেশি তাই যেকোনো কালারফুল পোশাকের সঙ্গে এমন গহনায় সহজেই মানিয়ে যাবে।

Manual4 Ad Code

মনসিজ ক্র্যাফটের কর্ণধার শিল্পী সাদিয়া শারমিনের মতে, যেহেতু প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে প্রকৃতি প্রদত্ত সংগ্রহকে কেন্দ্র করে মানুষ নিজেকে অলংকারিত করতে পছন্দ করতো, তাহলে এখন কেন নয়। প্রাচীন সভ্যতা, অর্থনীতিতে, সামাজিক অনেক কার্যক্রমেই সামুদ্রিক শাঁসকে আশীর্বাদ হিসেবে মানা হয়েছে। অন্যদিকে আপনি নিজের ফ্যাশন ধারন করবেন যদি তার কোনো মৌলিক ইতিহাস থেকে থাকে তবে ফ্যাশন ধারনের পাশাপাশি আপনি যেমন হয়ে উঠবেন আকর্ষণীয় তেমনি হয়ে উঠবেন অনুষন্ধিৎসু।

Manual4 Ad Code

জাঁকজমক অনুষ্ঠান অথবা সামাজিক যেকোনো সাধারন অনুষ্ঠানে শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, পশ্চিমা পোশাকের সঙ্গে কড়িশেলের মালা বেশ মানানসই। বিশেষ করে সুতি, খাদি, বাটিক, টাইডাই, তসর ধরনের পোশাকের ক্ষেত্রে কিশোরী থেকে মাঝবয়সীদের এই গহনায় অনেক বেশি ব্যক্তিত্বশীল দেখাবে। ভিন্নধর্মী এমন গহনার দামটাও সব শ্রেণির নাগালের মধ্যে রয়েছে। কানের দুল, লকেট, নেকলেসের দাম পরবে ৩০০ থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code