আজানের দোয়া

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual1 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন আজানের পর দোয়া পাঠকারীর জন্য রয়েছে ফজিলতপূর্ণ পুরস্কার। মুয়াজ্জিনের আজান শুনে উত্তর দেওয়া এবং আজানের পর দেয়া পড়ার ফজিলত অত্যাধিক। কী সেই দোয়া ও ফজিলত?

মদিনায় হিজরতের পর আজানের প্রচলন হয়। আজানের ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ রহমাতুল্লাহি আলাইহি আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আনসারী মাযিনী রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণনা করেন যে, হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, আমি দেখছি তুমি বকরি চরানো এবং বন-জঙ্গলকে ভালোবাস। তাই তুমি যখন বকরি চরাতে থাকো বা বন-জঙ্গলে থাকো তখন উচ্চকন্ঠে আজান দাও। কেননা, জিন, ইনসান বা যেকোনো বস্তুই যতদূর পর্যন্ত মুয়াজ্জিনের আওয়াজ শুনবে, সে কেয়ামতের দিন তার পক্ষে স্বাক্ষ্য দিবে। হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একথা আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে শুনেছি।’ (বুখারি ৫৮২) আজানের পর দোয়া ও মুনাজাত মূলত নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দরুদ ও প্রশংসা। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরুদ পাঠ ও প্রশংসায় মিলবে পরকালের সুপারিশ। মুমিনের জন্য এটি সবচেয়ে বড় পুরস্কার। হাদিসের বর্ণনায় এসব ফজিলত, দরুদ ও দোয়া ওঠে এসেছে এভাবে-

Manual1 Ad Code

১. হজরত জাবের ইবনু আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আজান শুনে এ দোয়া পড়বে-
‘আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ্‌ দাওয়াতিত তাম্মাতি ওয়াছ ছালাতিল ক্বায়িমাহ, আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতা ওয়াল ফাদিলাহ, ওয়াবাআছহু মাক্বামাম্ মাহমুদানিল্লাজি ওয়া আত্তাহ।‘

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code