

SAMSUNG CAMERA PICTURES
আদমদীঘি (বগুড়া) :
বগুড়ার আদমদীঘিতে এবার আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে উপজেলার প্রতিটি হাট বাজারে সরবরাহ কম দেখা গেছে। গত বছরের তুলনায় এবার অর্ধেক জমিতে আলুর আবাদ হওয়ায় আলু সংকট হওয়ার আশংকা রয়েছে। এতে হাট বাজারে সরবরাহ কম হওয়ায় দাম ভাল পাচ্ছেন কৃষকরা।
আদমদীঘি উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাযায়, গত মৌসুমে উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়ন মিলে ৬ হাজার ২৭৫ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ হয়েছিল। সেই সময় আলুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা আলু আবাদে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। ফলে চলতি বছর আলুর চাষ করা মাত্র ৩ হাজার ১৭০ হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৭৪৫ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ কম হয়। যার কারণে ভরা মৌসুমে হাটবাজারে আলু আমদানী অনেকটাই কমে গেছে। বর্তমান হাটবাজারে দেশি পাকরি জাতের প্রতি মণ আলু ৫৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা, ভুটান আলু ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, টাকা, ললিতা ৪০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা ও হল্যান্ড জাতের আলু ৩০০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা দরে বেচাকেনা চলছে। আলু আবাদি কৃষক জাহাঙ্গীর আলম গত বছর ১২ বিঘা জমিতে আলুচাষ করেন তিনি এবার মাত্র ৮ বিঘা জমিতে আলুর আবাদ করেন। তিনি জানান চলতি মৌসুমে বাজারে আলুর দাম বেশি হলেও অনেক কৃষকের ঘরে আলু কম রয়েছে। মৌসুম শেষে হাটবাজারে আলু সংকট দেখা দিতে পারে। কৃষক জিল্লুর রহমান জানায় সে গত বছর ৫ বিঘা জমিতে আলু চাষ করে ক্ষতিগ্রহস্থ হয়েছেন তাই এবার মাত্র ২ বঘা জমিতে আলু আবাদ করেন। তার বাড়িতে প্রয়োজনীয় আলু রেখে বাজারে খুব বেশি বিক্রি করতে পারবেনা। আলু পাইকার বিদ্যু প্রামানিক জানায়, হাটবাজারে আলু সরবরাহ কম থাকায় আলুর দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামীতে আলুর দাম আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।