আদমদীঘি চামঘাস বিক্রি করে সংসার চলে

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual7 Ad Code

আদমদীঘি (বগুড়া) :
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে জংশনে খাবার হোটেল, স্টেশনের চা-দোকানে দিন মজুরির কাজ করে যাদের সংসার চলতো করোনা তাদের অনেকের পেশা বদলেছে। কেউ কেউ চামঘাস ও বিভিন্ন শাক-সবজি বিক্রি করে চালাতে হচ্ছে তাদের সংসার। পরিবারের জীবিকার তাগিদে সবাইকে নিয়ে বেঁচে থাকার উপায় হিসেবে বেছে নিয়েছেন এই পথ।
জানাযায়, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমনে প্রায় দুই মাস সান্তাহার রেলওয়ে জংশনে সকল কার্যক্রম ও ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় সেখানকার খাবার হোটেল, চা-দোকানসহ সকল ব্যবসা প্রতিষ্টান স্থবির হয়ে পড়ে। এতে ্ওইসব ব্যবসা প্রতিষ্টানে কর্মরত দিন মজুররা কর্মহীন হয়ে পড়েন। দীর্ঘ সময় এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কর্ম হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন অনেকেই। তারা জীবিকার তাগিদে অধিকাংশ দিন মজুর বেছে নেন অন্য পেশা। তেমনি সান্তাহারের মনির হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম ও শ্রী কৃষ্মসহ ৮/১০জন দিন মজুর তাদের মুল পেশা খাবার হোটেল ও চা-দোকানের কর্মচারীর পেশা হারিয়ে জীবিকার তাগিদে শাক-সবজি হিসাবে পুষ্টিগুন সমৃদ্ধি চামঘাস সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রির মাধ্যমে সংসার চালাচ্ছেন। তারা জানান, ৬৬ দিন পর স্বল্প পরিসরে ট্রেন চলাচল ও দোকানপাট খোলা শুরু হলেও বাজারে লোক সমাগম ও আগের মতো স্টেশনে ট্রেন যাত্রী না থাকায় দোকানে বেচাকেনা নেই। তাই মালিকরা আর কাজে নিচ্ছেন না। একারনে সংসার চালাতে নওগাঁর বান্দাইখাড়া, মান্দার ফেড়িঘাটসহ বিভিন্ন এলাকার নদীর পাড় ও জঙ্গলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনভর চামঘাস সংগ্রহ করার পর সন্ধ্যা থেকে মাঝ রাত পর্যন্ত সান্তাহার স্টেশনের প্লাটফরমে তারা মিলিত ভাবে সেগুলো পরিষ্কার করে বাজারজাতের জন্য প্রস্তুত করেন। পরের দিন জয়পুরহাট, দিনাজপুরসহ বিভিন্ন স্থানে এসব চামঘাস সবজি হিসাবে বিক্রি করে তারা প্রতিদিন ৩শ থেকে ৪শ টাকা আয় করে সংসার চালান। এতে কোন রকমে সংসার চলে বলে তাদের দাবী। জীবিকার স্বার্থে চামঘাসকে আকড়ে জীবন-জীবিকা চালানো ছাড়া কোনো উপায় নেই তাদের।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code