

হাফিজার রহমান, আদমদীঘি (বগুড়া) :
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সরকারি হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন ১০ বছর যাবত অকেজো থাকায় হাসাতালে এক্স-রে করাতে আসা শতশত দরিদ্র রোগীদের রোগ নির্ণয়ে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। তারা অধিক টাকায় অন্যত্র এক্স-রে করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে উপজেলাবাসী সরকারি অল্প খরচে এক্স-রে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
জানা গেছে, বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের ৩১ শয্যা বিশিষ্ঠ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালটি ২০১৩ সালে ৫০শয্যা হাপাতালে উন্নীত করার পর এই হাসপাতালে অপারেশন করার যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে যাবতীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। এক্স-রে মেশিন নতুন ভাবে স্থাপনের জন্য ২০১৬ সালের জুন মাসে শুধু লিড এ্যাপ্রোন, লিড লেটার, ডার্করুম সেফলাইট, এক্স-রে ড্রাইং ক্যাবিনেটসহ মাত্র ১১ প্রকার যন্ত্রাংশ অত্র হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু এক্স-রে মেশিন না আসায় প্রায় ১০ বছর যাবত এক্স-রে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। প্রতিদিন এই সরকারি হাসপাতালে অল্প খরচে এক্স-রে করতে এসে তারা ভোগান্তিতে পড়েছে। অনেক রোগী অধিক টাকায় বিভিন্ন ক্লিনিকে বাধ্য হয়ে এক্স-রে করছেন। এতে সরকারি এক্্র-রে সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শতশত দরিদ্র রোগী। জরুরি ভিক্তিতে এখানে নতুন এক্স-রে মেশিন প্রদান করার দাবী উপজেলাবাসির। আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডাঃ শহীদুল্লাহ দেওয়ান জানান, আদমদীঘি হাসপাতালে এক্স-রে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। মেশিনটি মেরামত যোগ্য নয় বলে প্রকৌশলী জানানোর পর তা পরিবর্তন করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে পত্র দেওয়া হয়েছে।