

লন্ডন প্রতিনিধি: ইউরোপের জন্য ২০২২ সাল যদি হয় ইউক্রেন ইস্যুতে অপ্রত্যাশিত ঐক্যের বছর, তাহলে ২০২৩ হবে সেই ঐক্যের জন্য অগ্নিপরীক্ষা। আর সেটি কীভাবে সামনে আসবে তা নির্ভর করছে যুদ্ধের পরিস্থিতি কী হয় তার ওপর। ইউক্রেন যুদ্ধ সামনের বছরও চলতে পারে। তাতে রাশিয়া হয়তো ক্রমান্বয়ে পিছু হটতে বাধ্য হবে, কিন্তু হারানো সব অঞ্চল পুনরুদ্ধার করতে পারবে না ইউক্রেন। সেক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য ইউক্রেনের ওপর ধীরে ধীরে চাপ দিতে শুরু করবে ইউরোপ।
ইউরোপীয়দের কেউ কেউ রুশ গ্যাস কেনা ফের শুরু করা ও জ্বালানিতে ভর্তুকির খরচ কমানোর পরিকল্পনায় প্রলুব্ধ হবেন। অন্যরা ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এবং ইউক্রেনের জন্য মার্কিন সামরিক-অর্থনৈতিক সহায়তা কমে যাওয়ার ভয় করবেন। কারণ, তেমনটি হলে অতিরিক্ত বোঝা ইউরোপের ঘাড়েই চাপতে পারে। তাছাড়া ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁর মতো কেউ কেউ মনে করতে পারেন, রাশিয়া সবসময় তাদের কাছাকাছি থাকবে। তাই যোগাযোগের চ্যানেলগুলো ফের চালু করা উচিত।
ইউরোপ বলবে, তার দোরগোড়ায় ক্রমাগত যুদ্ধ চলতে পারে না। যদিও এই কণ্ঠস্বরগুলো খুব বেশি প্রাধান্য পাবে বলে আশা করা যায় না, তবে এ নিয়ে ইউরোপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে, পোল্যান্ড-লিথুয়ানিয়ার মতো সম্মুখ সারির দেশগুলো যদি ভাবতে শুরু করে, ফ্রান্স-জার্মানির নেতারা পুতিনকে পুরোপুরি পরাজিত করতে হবে এমন ধারণায় আর ততটা বিশ্বাসী নন।