ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কোরবানির ঈদ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual7 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা সাধারণত মসজিদের মিম্বারে, ওয়াজ মাহফিলে, দ্বীনি পরিবেশে ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের স্বতন্ত্রভাবে ইবাদতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে থাকেন। এক্ষেত্রে উদ্বুদ্ধকারী ইমাম-মুয়াজ্জিন নিজেরা যে ইবাদত ও আমলগুলো করেন, স্বাভাবিকভাবেই মুসল্লি ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা ওইসব আমল ও ইবাদতের প্রতি বেশি উদ্বুদ্ধ হন। সেই সঙ্গে তা পরিপালনে তাদের আগ্রহও তুলনামূলক বেশি অনুভূত হয়।
প্রশ্ন হচ্ছে–নামাজ-রোজা, জিকির-আজকার ইত্যাদি আমলগুলো ইমাম-মুয়াজ্জিনদের আদায় করা দেখে সাধারণ মুসল্লিরা যেভাবে উদ্বুদ্ধ হওয়ার ও অনুপ্রেরণা লাভের সুযোগ পান, ঠিক সেভাবে আর্থিক ইবাদতও তাদের (ইমাম-মুয়াজ্জিনদের) দেখে দেখে পরিপালন তারা করতে পারেন কিনা? দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা যে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেতন পান, তা দিয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি তারা কি জাকাত আদায়, কোরবানি ইত্যাদির মতো আমলগুলো করতে পারছেন, যা দেখে দেখে সাধারণ মুসলমানেরাও কোরবানিতে উদ্বুদ্ধ হবেন?

Manual6 Ad Code

বিষয়টি জানতে শহর ও গ্রামের কয়েকজন ইমাম-মুয়াজ্জিনের সঙ্গে কথা হয়। তাদের বক্তব্যে প্রায় সবারই অভিন্ন আর্থিক পরিস্থিতির বিষয়টি উঠে আসে। অর্থাৎ শুধুমাত্র ইমামতি কিংবা আজান দিয়ে তারা যে সম্মানি পান, তা দিয়ে কোরবানি-জাকাত তো দূরের কথা, স্ত্রী-সন্তান ও মা-বাবাকে নিয়ে সংসার চালানোই অসম্ভব হয়ে ওঠে।

Manual1 Ad Code

মুফতি মোহাম্মদ ইখলাসুদ্দীন। বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার বেগারকান্দা গ্রামে। তিনি রাজধানীর লালমাটিয়ায় ‘মসজিদে বাইতুল হারাম’র ইমাম। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকায় থাকলেও গ্রামে থাকা মা-বাবা ও ছোট ভাইবোনের দেখাশোনার দায়িত্ব তার। মোহাম্মদ ইখলাসুদ্দীন জানান, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়িয়ে যে সম্মানি তিনি পান, তা দিয়ে পুরো পরিবারের খরচ চালানো সম্ভব হয়ে ওঠে না।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code