ইরান ও ইসরাইলকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ঝুঁকি

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ২ years ago

Manual1 Ad Code

মির্জা আবুল কাসেম : দীর্ঘদিন যাবৎ ইরান ও ইসরাইলকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ঝুঁকি। সেই ঝুঁকি রীতিমতো হুমকিতে পরিণত হয়েছে। ইসরাইলে মঙ্গলবার রাতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং তাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি হুমকিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়া ইসরাইল এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব দেয়ার অঙ্গীকার করেছে।

অন্যদিকে ইরান বলেছে, ইসরাইল জবাব দিলে এর পাল্টা জবাব হবে আরও ভয়াবহ। এমনিতেই গাজায় এ শতাব্দীর সবচেয়ে নৃশংসতম হামলা চালিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে ইসরাইল। তাতে বিবেকসম্পন্ন মানুষসহ মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। তার ওপর পাশের দেশ লেবাননে হিজবুল্লাহ’র বিরুদ্ধে ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু করেছে ইসরাইল।সেখানেও তারা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বেসামরিক এলাকায় ভয়াবহ হামলা চালাচ্ছে। এতে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন। এর ওপর স্থল হামলা শুরু করেছে। ফলে এই উত্তেজনা আকস্মিকভাবে দাবানলের মতো গ্রাস করতে পারে মধ্যপ্রাচ্যকে।

Manual2 Ad Code

অনেক বিশ্লেষক বলছেন, এখান থেকে শুরু হয়ে যেতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। ক্ষোভে ফুঁসছে ইয়েমেনের হুতিরা। ইরাকের রয়েছে কড়া বার্তা। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান সাবধান করেছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরাঁকে ইসরাইলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরাইল। তাকে সেখানে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরাইল কাটজ জাতিসংঘ মহাসচিবকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, জাতিসংঘের ইতিহাসে তিনি কলঙ্কিত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাকে আমি ইসরাইলে  অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি। আমাদের দেশে তার প্রবেশ নিষিদ্ধ। যেকোনো ব্যক্তি, যারা ইরানের হায়েনার মতো হামলায় দ্ব্যর্থহীনভাবে নিন্দা জানাবে না, তারা ইসরাইলের মাটিতে পা রাখার অধিকার রাখতে পারেন না।  তিনি অভিযোগ করেন, জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরাঁ হামাস, হিজবুল্লাহ, হুতি এবং এখন ইরানের সন্ত্রাসী, ধর্ষক ও খুনিদের সমর্থন দিচ্ছেন।

মধ্যপ্রাচ্যের এ পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলেছে রাশিয়া। বুধবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দমিত্রি পেসকভ বলেছেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। যা ঘটছে তার প্রেক্ষিতে আমরা সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। এ নিয়ে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে রাশিয়া। যেসব হামলায় বেসামরিক মানুষ নিহত হন, তার নিন্দা জানিয়েছে তারা।

ওদিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইসরাইলের সাবেক দু’জন প্রধানমন্ত্রী। তারা হলেন- নাফতালি বেনেট এবং ইয়াইর লাপিদ। এর মধ্যে ইয়াইর লাপিদ সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন, লেবানন, গাজা ও ইরানকে সন্ত্রাসীদের আস্তানা বলে অভিহিত করেন।

Manual3 Ad Code

 

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code