‘ইলিয়াস কাঞ্চনকে অপমান, মেনে নেয়া যায় না’

লেখক:
প্রকাশ: ৭ years ago

Manual3 Ad Code

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী জাহানারার মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠনের মাধ্যমে নিরাপদ সড়কের দাবিতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলেন তিনি।

 

এই আন্দোলন নিয়ে ইলিয়াস কাঞ্চনকে বিভিন্ন সময় শ্রমিকদের রোষানলে পড়তে হয়েছে। নতুন সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে কয়েকদিন আগে উত্তাল হয়েছিল দেশের পরিবহন শ্রমিকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবি সম্বলিত কুরুচিপূর্ণ ব্যানার এবং কুশপুত্তলিকা তৈরি করে তাতে জুতার মালা পরানো হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ এবং জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা আইন-২০১৮-এর পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করে চলচ্চিত্র পরিবার।

 

আজ সোমবার দুপুর ১২টায় বিএফডিসি গেটের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ১৮টি সংগঠন। এতে উপস্থিত হয়েছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানসহ চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিল্পীরা।

Manual5 Ad Code

 

এছাড়া ১৮ সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক, শিল্পী, নৃত্যশিল্পী, চিত্রগ্রাহক, ফাইট ডিরেক্টর, সহকারী পরিচালক সমিতির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। ইলিয়াস কাঞ্চনের নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন লিটন আরশাদ।

Manual7 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

এ সময় মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘ইলিয়াস কাঞ্চন দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে একা একা লড়াই করে চলেছেন দেশের মানুষের নিরাপদ জীবনের জন্য। ইলিয়াস কাঞ্চনকে অপমান, মেনে নেয়া যায় না। কাঞ্চন সাহেব রাষ্ট্রকে সুপারিশ করেছেন কী কী নিয়ম ও আইন করতে পারলে দেশের সড়ক দুর্ঘটনা কমবে বা সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামবে। সরকার সেই আইন বাস্তবায়ন করবে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে। এখানে ইলিয়াস কাঞ্চনকে কেন অশালীন ভাষায় গালি দেয়া হচ্ছে? তার ছবিতে কুরুচিপূর্ণ কথা লেখা হচ্ছে। এটা অন্যায়। যারা করছেন তাদের প্রতি আমাদের ঘৃণা ও প্রতিবাদ। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পের সব সংগঠনের পক্ষ থেকে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের প্রতি অসম্মানজনক আচরণের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই। সেই সঙ্গে জনস্বার্থে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর পূর্ণ বাস্তবায়ন চাই।’

 

গত ১ নভেম্বর থেকে নতুন সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কার্যকর হয়। তারপর থেকে এই আইন সংশোধনের দাবিতে আন্দোলনে নামে বাস-ট্রাক শ্রমিকরা।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code