ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে বাইডেনকে ৩৭ কংগ্রেসম্যানের চিঠি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ২ years ago

Manual7 Ad Code

নিউজ ডেস্ক: গাজায় বর্বর হামলাকারী ইসরাইলি বাহিনীকে সমর্থন ও তাদের অস্ত্র সহায়তা দেওয়ার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ওপর আগে থেকেই বহুমুখী চাপ ছিল। এবার ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তনি ব্লিঙ্কেনের কাছে চিঠি লিখেছেন তিন ডজনের বেশি কংগ্রেসম্যান। সেই চিঠিতে সই করছেন মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের সাবেক স্পিকার ও ডেমোক্র্যাট দলের বর্ষীয়ান রাজনীতিক ন্যান্সি পেলোসিও। খবর দ্য গার্ডিয়ানের

Manual8 Ad Code

প্রতিবেদন বলা হয়, কংগ্রেসম্যানদের চিঠির সঙ্গে ন্যান্সি পেলোসি যুক্ত হওয়ার তা আলাদা মাত্রা পেয়েছে। কারণ পেলোসি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।

সোমবার গাজায় ইসরাইলি হামলায় ব্রিটিশ দাতব্য প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের সাত ত্রাণকর্মীর নিহত হওয়ার ঘটনার তদন্ত দাবি করা হয়েছে ওই চিঠিতে।

Manual8 Ad Code

চিঠিতে ন্যান্সি পেলোসি ছাড়াও ডেমোক্র্যাট দলের আরও ৩৬ জন কংগ্রেসম্যান সই করেছেন। এতে গাজা ইস্যুতে ডেমোক্র্যাট দলের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

চিঠিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ত্রাণকর্মীদের ওপর সাম্প্রতিক হামলা ও গাজার মানবিক পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হওয়ায় আমাদের মনে হয়েছে, ইসরাইলে আর অস্ত্র সরবরাহ করা উচিত হবে না।

Manual1 Ad Code

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে। এ সময় গাজায় বেসামরিক মানুষদের সুরক্ষা দিতে নেতানিয়াহুর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। যদি গাজার মানুষদের সুরক্ষা দেয়া না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ইসরাইল নীতি বদলাবে বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
টপ নিউজমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
‘বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গন্তব্য বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে কানাডার এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করাতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরির এমপি জাসরাজ সিং হালান, ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. আনিস হক, মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসেট স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. তাসফিন হোসেন। এ ছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিকিৎসক আইনজীবী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু। সেমিনারের শুরুতেই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের চিত্র বিনিয়োগ ইত্যাদির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। এর পরই কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত ১১ বছরের চলমান বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র সভায় উপস্থিত সবার কাছে তুলে ধরেন। এ ছাড়া সেমিনারে এমপি জাসরাজ সিং হালান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যাদি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। সেমিনারে অধ্যাপক ড. আনিস হক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডাতে প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। ড. তাসফিন হোসেন তার উপস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, সেমিনারে মূলত আলবার্টা প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা ছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা প্রদেশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। খনিজসম্পদ, জ্বালানি ও গ্যাস, ভৌত অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং যন্ত্রাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি বিষয়ে আলবার্টা প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পায়। এ ছাড়া আলোচনায় আগত অতিথিদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জবাব প্রদানের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
৬ years ago
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code