

ইন্টালন্যাশনাল ডেস্ক: আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শেষ জিম্মির মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হামাস হস্তান্তর করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া, গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের মতবিরোধ কমাতে অস্ত্র সাময়িকভাবে ত্যাগের বিষয়ে আলোচনা করতেও রাজি আছে হামাস। এদিকে, রবিবার (৭ ডিসেম্বর) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে পৌঁছানো কঠিন হলেও চলতি মাসেই এর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তবে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপেও গাজায় হামলা চালিয়ে অন্তত ৩৬০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। এছাড়া, ত্রাণ সহায়তা এখনও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এসব বিবেচনায় দ্বিতীয় ধাপ কার্যকরভাবে শুরু হওয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার ভিত্তিতে গৃহীত চুক্তির প্রথম ধাপে ইসরায়েলের ওপর হামলা বন্ধ, সেনা প্রত্যাহার, ত্রাণ সরবরাহ বৃদ্ধি এবং জিম্মিদের বিনিময়ে কয়েকশত ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল। অথচ ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চুক্তির শর্ত অন্তত ৫৯০ বারের বেশি লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। চুক্তির এক মাস পর নেতানিয়াহু বলেন, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ শেষ হয়নি এবং হামাসকে অবশ্যই নিরস্ত্র করা হবে।