

ডেস্ক নিউজ: ওমর (রা.)-কে অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রবর্তক মনে করা হয়। যদিও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অস্তিত্ব ছিল। তবে তার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ছিল না। তিনি কিছু অশ্বারোহী এবং গোত্রের প্রবীণ লোকদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধীদের শনাক্ত করা ও শাস্তি প্রয়োগের দায়িত্ব দিয়েছিলেন।
আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর যুগে বিষয়টি এমনই ছিল। সর্বপ্রথম আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব লাভ করেছিলেন আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.)। ইসলামের ইতিহাসে ওমর (রা.) অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নিয়মতান্ত্রিক বাহিনী গঠন করেন। এই বাহিনী শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনের জন্য রাতে সড়কে টহল দিত।
নবীজির যুগে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
মদিনার মুসলিমদের প্রতি মক্কার কুরাইশ ও তাদের মিত্রদের পক্ষ থেকে সৃষ্ট হুমকি এবং মদিনার উপকণ্ঠে বসবাসকারী মুসলিমদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক ‘টহল দল’ গঠন করা হয়। এসব বাহিনীতে তিন থেকে ৫০ জন পর্যন্ত সদস্য থাকতেন। তাঁরা মদিনার উপকণ্ঠের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে টহল দিতেন। তাঁদের ‘হিরাসুর-রাসুল’ বলা হতো।
আবু বকর (রা.) মদিনা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাত্রীকালীন টহলের ব্যবস্থা করেন। মসজিদ-ই-নববীতেও পূর্ণ প্রস্তুতিসহ একটি দল সব সময় অবস্থান করত। তাঁর যুগে মদিনার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত দলগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন আলী ইবনে আবি তালিব, জুবায়ের ইবনুল আউয়াম, তালহা বিন উবাইদুল্লাহ, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, আবদুর রহমান ইবনুল আউফ, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) প্রমুখ।