ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো নজরদারি কমে যাচ্ছে

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual8 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির বিরুদ্ধে গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উচ্চ আদালতের নির্দেশে বোর্ড গঠন করা হয়। তবে সেই বোর্ড ‘করণীয়’ ও ‘গ্রাহকের পাওনা ফিরিয়ে দেওয়া’র বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনও সুরাহা করতে পারেনি। এমনকি বোর্ড সদস্যরা এমনও বলেছেন, ‘এখন ইভ্যালি ছাড়তে পারলেই তারা বাঁচেন’। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ‘ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেড’ পরিচালনার জন্য আরেকটি বোর্ড গঠনের নির্দেশনা দিয়েছে উচ্চ আদালত। প্রশ্ন উঠেছে, ‘ইভ্যালির এই অবস্থার মধ্যে নতুন করে ডেসটিনি পরিচালনায় গঠিত বোর্ড কি সফল হবে? ক্ষতিগ্রস্তরা কি তাদের টাকা ফেরত পাবেন? ইভ্যালির সংকট উত্তরণে গত বছরের ১২ অক্টোবর বোর্ড গঠনের নির্দেশনা দেয় উচ্চ আদালত। বোর্ড চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। এ ছাড়া পর্ষদ সদস্য আছেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. রেজাউল আহসান, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে আছেন ফখরুদ্দিন আহমেদ ও আইনজীবী হিসেবে খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ। আর সরকারি বেতনে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির।
এই বোর্ড গত ১১ মাসে চারটি বৈঠক ও দুটি সিন্দুক বা লকার ভাঙা ছাড়া তেমন কিছুই করতে পারেনি। এই দুই লকারে দৈনিক পত্রিকার কিছু কাটিং ও ফেসবুক আইডির নাম ছাড়া কিছুই পাওয়া যায়নি। ইভ্যালির জন্য গঠিত বোর্ড সার্ভারের পাসওয়ার্ডও উদ্ধার করতে পারেননি। এমনকি অর্থের অভাবে নিয়মিত বৈঠক ও দাফতরিক কাজও করতে পারেননি তারা।
বোর্ড সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামী সপ্তাহেই তাদের কেউ কেউ এই বোর্ড থেকে পদত্যাগ করতে পারেন। সংবাদ সম্মেলন করে তারা পদত্যাগ করবেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে বোর্ড আন্তরিক থাকলেও গেটওয়ে থেকেও তারা টাকা উত্তোলন করতে পারেননি। এ বিষয়ে বোর্ড চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা কাজ করার জন্যই এসেছিলাম। তবে বিভিন্ন কারণে কাজ করা যায়নি। আমরা আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানিয়ে দেবো।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code