উত্তর গাজায় ৬১ ট্রাক সহায়তাসামগ্রী সরবরাহ: জাতিসংঘ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual8 Ad Code

নিউজ ডেস্ক: জাতিসংঘ গতকাল শনিবার বলেছে, ফিলিস্তিনের উত্তর গাজায় ৬১ ট্রাক সহায়তাসামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। এসব ট্রাকে ছিল চিকিৎসা সরঞ্জাম, খাদ্য ও পানি।

গাজা উপত্যকায় এখন চার দিনের যুদ্ধবিরতি চলছে। এ যুদ্ধবিরতির ফলেই সহায়তাসামগ্রী নিয়ে ট্রাকগুলো অবরুদ্ধ উপকূলীয় এলাকায় যেতে পারল।

ইসরায়েলের নিতজানা থেকে আরও ২০০টি ট্রাক গাজা উপত্যকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে বলে জাতিসংঘের মানবিক-বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয় (ওসিএইচএ) জানিয়েছে।

Manual3 Ad Code

ওসিএইচএর বিবৃতিতে বলা হয়, এই ট্রাকগুলোর মধ্যে ১৮৭টি গতকাল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা নাগাদ সীমান্ত অতিক্রম করেছে।

Manual4 Ad Code

ওসিএইচএর বিবৃতিতে আরও বলা হয়, লোকজনকে সরিয়ে নিতে সহায়তার জন্য গাজার উত্তরাঞ্চলের আল-শিফা হাসপাতালে ১১টি অ্যাম্বুলেন্স, ৩টি কোচ ও ১টি ফ্ল্যাটবেড পাঠানো হয়েছে।

Manual6 Ad Code

সম্প্রতি এ হাসপাতালে সরাসরি অভিযান চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এখানে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের তুমুল লড়াই হয়েছিল।

Manual8 Ad Code

ওসিএইচএর বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধবিরতি যত দীর্ঘ হবে, মানবিক সংস্থাগুলো তত বেশি গাজায় সহায়তা পাঠাতে সক্ষম হবে।

দেড় মাসের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার পর গত শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাতটায় গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।

জিম্মি ও বন্দী বিনিময়ের শর্তে চার দিনের এ যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে কাতার, মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র।

যুদ্ধবিরতিকালে মোট ৫০ জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা হামাসের। পরিবর্তে ইসরায়েল কমপক্ষে ১৫০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেবে। এ ছাড়া গাজায় আরও মানবিক সহায়তার সুযোগ দেবে ইসরায়েল।

স্থানীয় সময় রোববারের প্রথম দিক নাগাদ এ জিম্মি ও বন্দী বিনিময়ের অব্যাহত ছিল।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, শুক্রবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর মোট ১৩৭টি ট্রাক গাজায় ত্রাণসহায়তা সরবরাহ করেছে।

ওসিএইচএ বলেছে, তারা আরও জিম্মির মুক্তিকে স্বাগত জানায়। তারা সব জিম্মির অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আবার আহ্বান জানায়।

ওসিএইচএর আশা, আরও ফিলিস্তিনি বন্দীর মুক্তি পরিবার-প্রিয়জনদের জন্য স্বস্তি নিয়ে আসবে।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। ইসরায়েলের ভাষ্যমতে, হামাসের এ হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন। এ ছাড়া দুই শতাধিক ব্যক্তিকে ইসরায়েল থেকে ধরে গাজায় নিয়ে জিম্মি করে হামাস।

জবাবে ৭ অক্টোবর থেকে গাজাকে অবরুদ্ধ করে নির্বিচার বোমা হামলা চালিয়ে আসছিল ইসরায়েল। পাশাপাশি তারা গাজায় স্থল অভিযান চালাচ্ছিল। গাজার হামাস সরকারের তথ্যানুযায়ী, অবরুদ্ধ উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় প্রায় ১৫ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাঁদের বেশির ভাগই বেসামরিক লোকজন। নিহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কয়েক হাজার শিশু রয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code