উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে আপ্রাণ চেষ্টা করছি: এরদোগান

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual6 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান বলেছেন, কাতার ছাড়াও আমরা উপসাগরীয় অঞ্চলের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের আপ্রাণ চেষ্টা করছি।

দোহা সফরের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন। খবর ডেইলি সাবাহর।

Manual1 Ad Code

বিমানবন্দরে এরদোগান সাংবাদিকদের বলেন, তুরস্কের লক্ষ্য হচ্ছে— উপসাগরীয় অঞ্চলের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং তা বজায় রাখা।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করা এবং সংলাপের দরজা খোলার জন্য আমরা সব ধরনের কূটনৈতিক কার্যক্রমকে স্বাগত জানাই।

দোহার সঙ্গে আঙ্কারা কাবুল বিমানবন্দর নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, তুরস্ক ও কাতার তালেবানের সঙ্গে কাবুল বিমানবন্দর পরিচালনা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

তালেবান নারী অধিকার ও তাদের শিক্ষা নিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, জানান এরদোগান।

তিনি বলেন, তারা (তালেবান) নারীদের সামাজিক জীবন ও শিশুদের শিক্ষার বিষয়ে আমাদের কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমরা আশা করছি, এসব প্রতিশ্রুতি তারা রক্ষা করবে।  আঙ্কারা প্রত্যাশা করে, তালেবান বিশ্বের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করার পদক্ষেপ নেবে।

এরদোগান দোহা সফরে তুরস্ক-কাতার সর্বোচ্চ কৌশলগত কমিটির সপ্তম সভায় অংশ নেবেন।

তুর্কি প্রেসিডেন্টের দোহা সফর সম্পর্কে আঙ্কারায় কাতারের রাষ্ট্রদূত শেখ মুহাম্মদ বিন নাসের বিন জসিম আল থানি এক বিবৃতিতে বলেন, এ বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে নানা পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোচনা হবে। এ ছাড়াও আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বৈঠকে গুরুত্ব পাবে, পাশাপাশি বিভিন্ন খাত নিয়ে সই হবে নতুন চুক্তিও।

এদিকে আগামী ফেব্রুয়ারিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।

Manual3 Ad Code

এর আগে গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ মুহাম্মদ বিন জায়েদ (এমবিজেড) তুরস্ক সফর করেছেন।

২০১২ সালের পর আমিরাতের ডি ফ্যাক্টো নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্র নীতির নির্ধারক এমবিজেডের এটি ছিল প্রথম আঙ্কারা সফর। দুই দেশই যে তাদের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী, সেটি এ সফরের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

তুরস্ক এ সফরকে ‘নতুন যুগের শুরু’ হিসেবে দেখছে।

অন্যদিকে এ সফর শুধু আরব আমিরাত নয়, আরব দেশগুলোর সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ককে গতি দেবে বলে ধারণা আবুধাবির সংবাদমাধ্যমগুলোর।

লিবিয়ায় আঙ্কারার স্বার্থ ক্ষুণ্ন করা এবং ২০১৬ সালে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে অর্থায়নের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দায়ী করে তুরস্ক। এর পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে চিড় ধরে।

Manual5 Ad Code

এদিকে তুরস্ক উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রভাবশালী দেশ মিসর ও সৌদি আরবের সঙ্গেও নিজেদের সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী।

Manual4 Ad Code

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ মিসর ও সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের চেষ্টা করব। আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে দূরত্ব দূর করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code