একটি অসাধারন মাঠ

লেখক:
প্রকাশ: ৭ years ago

Manual2 Ad Code

মীর লিয়াকত ::: শমশেরনগরের এই মাঠ একটি বিরল মাঠ। ঐতিহ্য এ মাঠে আকাশচুম্বী! সেকালে এরকম মাঠ কল্পনা করা যেতো না। বৃটিশ প্লেয়াররা একথা এখানে খেলার সময় বলে গেছেন। এ মাঠে মোহনবাগান, ঈস্ট বেঙ্গল, মোহামেডান ওয়ান্ডারার্সের প্লেয়াররা খেলে গেছেন, শুধু তাই নয় এখানকার প্লেয়ারও ঐ টিমগুলোতে খেলার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন।

Manual3 Ad Code

আসলে পাহাড়ী টিলার এই মাঠে বৃটিশরা চা বাগানের খড় শুকাতো। খোকা নামে বাগানের এক বাবুর ছেলে ফুটবল প্রেমিক ছিলো। তার সাথে সখ্যতা ছিলো শমশেরনগরের মামদ মিয়ার। মামদ মিয়ার পরামর্শে খোকা তার বাবার মাধ্যমে বৃটিশ ম্যানেজারকে অনুরোধ করায় খড় সরিয়ে ফেলে মাঠ তৈরী হয়। এ দৃষ্টিকোন থেকে মামদ মিয়াই এ মাঠের প্রথম প্লেয়ার। এরপর বৃটিশরাও নিয়মিত খেলা শুরু করে। মতাহির, কদর, ইব্রাহিম, আরমান, আখলু, ক্বারী প্রমুখদের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। জমে ওঠে মাঠ। সারা বছর বৃষ্টি হলেও এখানে পানি জমার সুযোগ নেই।

এই ধারা আজো অব্যাহত। ২০২০ সালে মছব্বির-রঞ্জুর নেতৃত্বে এ মাঠেই ১১ জানুয়ারী থেকে ঢল নামবে খেলা পাগল মানুষের। ১১ই জানুয়ারী জাতীয় সংসদের সাবেক চীফ হুইপ ড. শহীদ এমপি এ মাঠে খেলা উদ্বোধন করবেন। তিনিও ছাত্রজীবনে তার ভাই বখতিয়ার আসাদ প্রমুখদের নিয়ে এ মাঠে খেলতেন ষাটের দশকে। হাতে বুটজুতো ঝুলিয়ে তাকে মুন্সীবাজার থেকে আসতে দেখতাম। এই মাঠ তাঁরও ভীষন প্রিয়।
এই মাঠকে সরকারীভাবে উন্নয়নের আওতায় আনার বিশেষ অনুরোধ জানাই। এই মাঠে খেলার আনন্দই আলাদা। এ আনন্দ হোক সবার সম্মিলিত প্রয়াসের ফসল।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code