এমসি কলেজের তদন্ত শেষ, অধ্যক্ষের ‘হেফাজতে’ প্রতিবেদন

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual8 Ad Code

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটির কাছ থেকে প্রতিবেদন পেয়ে অধ্যক্ষ তা সিলগালা করে রেখেছেন।

Manual3 Ad Code

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) প্রতিবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে এমসি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সালেহ আহমদ বলেন, শনিবার (১০ অক্টোবর) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। রবিবার (১১ অক্টোবর সকালে প্রতিবেদনটি সিলগালা করে রাখা হয়েছে। তিনি জানান, যেহেতু এ ঘটনায় হাইকোর্টের নির্দেশে একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত ও উচ্চতর একটি কর্তৃপক্ষের আরও দুটি তদন্ত চলছে সেক্ষেত্রে কলেজের তদন্ত প্রতিবেদন এই মুহূর্তে প্রকাশ করলে ওই দুটি তদন্ত প্রভাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই কলেজের তদন্ত প্রতিবেদনটি সিলগালা করে রাখা হয়েছে।
স্বামীর সাথে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে যাওয়া গৃহবধূ ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যায়। ধর্ষণ ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তারা সকলেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে। তারা ছাত্রাবাসে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন।  করোনা পরিস্থিতির সময় বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ রকম ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠলে কলেজ কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ঘটনা তদন্তে কলেজ কর্তৃপক্ষ ২৭ সেপ্টেম্বর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

কলেজ সূত্র জানায়, কলেজের গণিত বিভাগের প্রধান আনোয়ার হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির দুজন সদস্য হিসেবে ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক (হোস্টেল সুপার) মো. জামাল উদ্দিন ও জীবনকৃষ্ণ ভট্টাচার্যকে সদস্য রাখা হয়। সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশনা ছিল। ছাত্রাবাসের দুজন তত্ত্বাবধায়ক কমিটিতে থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠলে ওই দুই সদস্য অব্যাহতি নেন। পরে তদন্ত কমিটিতে কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বিভূতিভূষণ রায়কে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে তদন্ত কার্যক্রম চলে। পরে দুজন সদস্যকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে তদন্তের জন্য সাত কার্যদিবস থেকে বাড়িয়ে আরও পাঁচ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code