করিডর দেওয়ার সিদ্ধান্ত জনগণ নেবে সংসদের মাধ্যমে: তারেক রহমান

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ১ বছর আগে

Manual1 Ad Code

রাজনীতি ডেস্ক:

মিয়ানমার সীমান্তে ‘মানবিক করিডর’ দেওয়া প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ মনে করে, করিডর দেওয়া না–দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে হবে জনগণের কাছ থেকে। সিদ্ধান্ত আসতে হবে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে, নির্বাচিত জাতীয় সংসদের মাধ্যমে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক বিশ্বের দেশে এটাই নিয়ম, এটাই রীতি।

Manual5 Ad Code

বৃহস্পতিবার ( ০১ মে ) রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে ‘মহান মে দিবস উপলক্ষে’ এক শ্রমিক সমাবেশে তারেক রহমান এ মন্তব্য করেন।

Manual4 Ad Code

করিডর ইস্যুতে তারেক রহমান বলেন, অভ্যন্তরীণ যুদ্ধে লিপ্ত মিয়ানমারের রাখাইনে মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর জন্য বাংলাদেশকে করিডর হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকার নাকি নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সঙ্গে জড়িত এমন একটি স্পর্শকাতর বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার কিন্তু জনগণকে জানায়নি। এমনকি জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও কোনো আলোচনা করার প্রয়োজনবোধ করেনি।

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘দেশের জনগণকে না জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে কি না, কিংবা নেওয়া উচিত কি না—এই মুহূর্তে সেই বিতর্ক আমি তুলতে চাই না। তবে দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ মনে করে, করিডর দেওয়া না–দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে হবে জনগণের কাছ থেকে। সিদ্ধান্ত আসতে হবে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে, নির্বাচিত জাতীয় সংসদের মাধ্যমে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক বিশ্বের দেশে এটাই নিয়ম, এটাই রীতি।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, বিদেশিদের স্বার্থরক্ষার স্বার্থে নয়, অন্তর্বর্তী সরকারকে সবার আগে দেশের জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, মিয়ানমার ভারত, পাকিস্তান কিংবা অন্য কোনো দেশ নয়, সবার আগে বাংলাদেশ। এটিই হতে হবে আমাদের। এটিই হতে হবে আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।’

Manual4 Ad Code

অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অংশ সংস্কার ও নির্বাচনকে মুখোমুখি দাঁড় করাতে চাচ্ছে দাবি করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি মনে করে, সংস্কার ও নির্বাচন উভয়ই প্রয়োজন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান, আপনারা সতর্ক থাকবেন। সরকারের একটি অংশ সংস্কার ও নির্বাচনকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সুপরিকল্পিতভাবে বিরোধ সৃষ্টি করতে চায়। গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে এ ধরনের বিশ্বাস জন্ম দিতে শুরু করেছে। তাদের কাছে আমাদের আহ্বান, স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার প্রস্তাবনা প্রণয়ন করুন। কোনো রাজনৈতিক দলের আপত্তি নেই।’

বেলা সোয়া ২টার দিকে এই সমাবেশ শুরু হয়। রাজধানী ও এর আশপাশের জেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে হাজার হাজার নেতা–কর্মী নয়াপল্টনের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। ওদিকে সমাবেশ শুরুর আগে জাসাসের শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। গান পরিবেশন করেন কণকচাঁপা, মৌসুমীসহ বেশ কয়েকজন শিল্পী।

এই সমাবেশ ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তাঁরা রঙিন টুপি, টি-শার্ট, ব্যানার ও ঢোল নিয়ে উপস্থিত হন।

এদিকে সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল।

Manual8 Ad Code

ডেস্ক: আর

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code