

ডেস্ক নিউজ, ঢাকা: বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মহামারী রূপ ধারণ করেছে করোনাভাইরাস। এর প্রাদুর্ভাবে সারা বিশ্ব প্রায় অচল। অধিকাংশ দেশে ঘোষণা করা হয়েছে লকডাউন। আমাদের দেশেও চলছে সাধারণ ছুটি, অর্থাৎ ঘরে থাকতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। যাদের ঘরে বিশেষ শিশু আছে, তাদের অভিভাবকদের আরও সচেতন হয়ে কর্মপরিকল্পনা করা উচিৎ বলে আমি মনে করি। কারণ এ ধরনের অনেক শিশু তাদের কষ্টের কথা প্রকাশ করতে পারে না। জেনে নিন প্রয়োজনীয় কিছু বিষয়। নিয়মিত এক্সারসাইজ প্রতিদিন ঘরের ভেতর ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা এক্সারসাইজ করা খুবই প্রয়োজন বিশেষ শিশুদের জন্য। এর ফলে শিশুটি যেমন ফিজিক্যালি ফিট থাকবে, তেমনি সে নিজেকে ব্যস্ত রেখে আনন্দ পাবে। ঘরে থেকে যেধরনের এক্সারসাইজ করাতে পারেন- শিশুর হাত ধরে ৫-১০বার ঘরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে হাটাহাটি করা, ৫-১০বার সিটডাউন- স্টান্ডআপ বা উঠা-বসা করানো, টুল বা কোন উঁচু স্থানে ১০-২০বার আপ-ডাউন করানো। এক্ষেত্রে সিঁড়িতে ওঠা নামার মতো কাজ হবে। কোনও ভারি বস্তু যেমন পানির বোতল ২ লিটার বা তার বেশি (সামর্থ্য অনুযায়ী) হাতে দিয়ে উপরে ওঠানামা করানো। এতে শিশুর হাতের জয়েন্ট রেঞ্জ অব মোশন ঠিক থাকবে। বাসায় সাইকেল থাকলে ১০ মিনিট সাইকেল চালাবে (একা একা বা সাহায্য লাগলে সাহায্য নিয়ে)। স্পোর্টস ড্যান্স করবে যেকোনও মিউজিকের সাথে। স্পোর্টস অ্যাকটিভিটি যেমন বল থ্রো, বল কিক করা। জিম বল থাকলে ৫-১০ মিনিট এক্সারসাইজ করানো। এতে শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকবে। অবশ্যই শিশুকে আনন্দের সাথে এক্সারসাইজ করাতে হবে। কোনও রকম জোর করে করানো যাবে না। তাতে শিশুর হাইপার অ্যাকটিভ বিহ্যাভিয়ার বা অস্থিরতা বা বেড়ে যেতে পারে।